ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 432

ছবি সংগৃহীত

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  ২৯ কার্যদিবসে মেহেরপুরে শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  মামলায় উল্লিখিত ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।