ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 600

ছবি সংগৃহীত

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  প্রকাশ্যে পিটিয়ে যুবককে হত্যা করে বাজারে মিষ্টি বিতরণ

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  প্রকাশ্যে পিটিয়ে যুবককে হত্যা করে বাজারে মিষ্টি বিতরণ

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।