১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 103

ছবি সংগৃহীত

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।