ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

রসুনের ভালো ফলনেও লোকসানের শঙ্কায় খানসামার কৃষকরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 643

ছবি সংগৃহীত

 

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় রসুনের ভালো ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখার আশায় ভরসা পাচ্ছেন না কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর এতটাই কম যে লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, প্রতি কেজি রসুন ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হলেও সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে লাভ তো দূরের কথা, নিজেদের মূলধন ফেরত পেতেও বিপাকে পড়ছেন তারা।

আরও পড়ুন  কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ আগ্রা এলাকার চাষিরা বলেন, রসুন মাঠ থেকে সংগ্রহের পরপরই ন্যূনতম দামে বিক্রি করতে হয়, অথচ পরে বাজারদর বাড়ে। এতে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হয়, কৃষকের ভাগ্যে জোটে হতাশা। কৃষকদের দাবি, রসুনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে এবং রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে কৃষকরা উৎপাদিত রসুন বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারের নির্ভরশীলতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে রসুন বিক্রি করা গেলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে রসুনের বাজারদর বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন, যেন তারা রসুন মজুত করে বাজারের চাহিদা ও দামের পরিস্থিতি বুঝে বিক্রি করেন। এছাড়া মজুতকৃত রসুন বীজ হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতের জন্য লাভজনক হতে পারে বলে জানান তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর দিনাজপুর জেলায় ৩ হাজার ৮৭৬ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ৪১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন রসুন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

চাষিরা এখন অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন বাজার কবে তাদের কষ্টের মূল্য দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রসুনের ভালো ফলনেও লোকসানের শঙ্কায় খানসামার কৃষকরা

আপডেট সময় ১২:৫৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

 

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় রসুনের ভালো ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখার আশায় ভরসা পাচ্ছেন না কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর এতটাই কম যে লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, প্রতি কেজি রসুন ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হলেও সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে লাভ তো দূরের কথা, নিজেদের মূলধন ফেরত পেতেও বিপাকে পড়ছেন তারা।

আরও পড়ুন  মার্কিন শুল্কারোপ নীতি ও বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাব: চীনের কৌশলগত জবাব

দক্ষিণ আগ্রা এলাকার চাষিরা বলেন, রসুন মাঠ থেকে সংগ্রহের পরপরই ন্যূনতম দামে বিক্রি করতে হয়, অথচ পরে বাজারদর বাড়ে। এতে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হয়, কৃষকের ভাগ্যে জোটে হতাশা। কৃষকদের দাবি, রসুনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে এবং রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে কৃষকরা উৎপাদিত রসুন বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারের নির্ভরশীলতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে রসুন বিক্রি করা গেলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে রসুনের বাজারদর বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন, যেন তারা রসুন মজুত করে বাজারের চাহিদা ও দামের পরিস্থিতি বুঝে বিক্রি করেন। এছাড়া মজুতকৃত রসুন বীজ হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতের জন্য লাভজনক হতে পারে বলে জানান তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর দিনাজপুর জেলায় ৩ হাজার ৮৭৬ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ৪১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন রসুন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

চাষিরা এখন অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন বাজার কবে তাদের কষ্টের মূল্য দেবে।