ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে প্রায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণসহ পাচারকারী আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 220

ছবি সংগৃহীত

 

ভারতে পাচারকালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিজবি- ৬ এর অভিযান প্রায় ৪ কোটি টাকার ২১টি স্বর্ণের বারসহ আবিদ মিয়া(২৮) নামের এক চোরাকারবারী যুবককে আটক করেছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্য জানিয়েছে বিজিবি।

সোনাসহ আটক পাচারকারী যুবক আবিদ মিয়ায়া জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন  সাতক্ষীরার ২০৩ কিমি সীমান্তে কড়া নজরদারি, বিজিবির টহলে নিরাপত্তা জোরদার

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌঁনে ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক হায়দার আলী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, ছয় ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারীরা ভারতে স্বর্ণ পাচার করবে। এমন গোপন সংবাদ জানার পর অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় তারই নেতৃত্বে বিজিবির একটি সশস্ত্র দল সীমান্ত পিলার নম্বর ৭৫/৩-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দর্শনা পৌর এলাকার ইশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের রাস্তার ওপর এ্যাম্বুশ করে থাকে। এই সময়ে বেলা আনুমানিক ১২ টা ২০ মিনিটে বিজিবি’র দলটি একটি মোটরসাইকেলযোগে ২জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে। ওই সময় তাদের মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দিলে মোটরসাইকেল আরোহীদের ১জন মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যজন সোনারবারসহ পাচারকারী আবিদ মিয়া মোটরসাইকেল থেকে নেমে পাশের একটি ছোট পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে এ্যামৃবুস দলের বিজবি সদস্যরা পানিতে নেমে সোনা পাচারকারী জেলার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে আবদিন মিয়াকে আটক করে। আটকের সময় সে তার হেফাজতে থাকা ১টি প্যাকেট সদৃশ বস্তু পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। বিজিবি তার দেহ তল্লাশীর সময় অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পরবর্তীতে বিজিবি দলের সদস্যগণ পুকুর থেকে চোরাকারবারীর ফেলে দেওয়া অপর প্যাকেটটিও উদ্ধার করে। উদ্ধারকরা ২টি প্যাকেট হতে ২১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আটক ব্যক্তির ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২০২ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম। উদ্ধার করা স্বর্ণের তালিকা মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা।
ঘটনার ব্যাপারে নায়েক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় মামলা করে আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করেছে। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

এম এ মামুন
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে প্রায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণসহ পাচারকারী আটক

আপডেট সময় ০৫:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

 

ভারতে পাচারকালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিজবি- ৬ এর অভিযান প্রায় ৪ কোটি টাকার ২১টি স্বর্ণের বারসহ আবিদ মিয়া(২৮) নামের এক চোরাকারবারী যুবককে আটক করেছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্য জানিয়েছে বিজিবি।

সোনাসহ আটক পাচারকারী যুবক আবিদ মিয়ায়া জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন  ঈদ ঘিরে সীমান্তে সক্রিয় পশু চোরাচালান চক্র, বিপাকে দেশি খামারিরা

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌঁনে ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক হায়দার আলী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, ছয় ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারীরা ভারতে স্বর্ণ পাচার করবে। এমন গোপন সংবাদ জানার পর অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় তারই নেতৃত্বে বিজিবির একটি সশস্ত্র দল সীমান্ত পিলার নম্বর ৭৫/৩-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দর্শনা পৌর এলাকার ইশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের রাস্তার ওপর এ্যাম্বুশ করে থাকে। এই সময়ে বেলা আনুমানিক ১২ টা ২০ মিনিটে বিজিবি’র দলটি একটি মোটরসাইকেলযোগে ২জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে। ওই সময় তাদের মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দিলে মোটরসাইকেল আরোহীদের ১জন মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যজন সোনারবারসহ পাচারকারী আবিদ মিয়া মোটরসাইকেল থেকে নেমে পাশের একটি ছোট পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে এ্যামৃবুস দলের বিজবি সদস্যরা পানিতে নেমে সোনা পাচারকারী জেলার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে আবদিন মিয়াকে আটক করে। আটকের সময় সে তার হেফাজতে থাকা ১টি প্যাকেট সদৃশ বস্তু পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। বিজিবি তার দেহ তল্লাশীর সময় অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পরবর্তীতে বিজিবি দলের সদস্যগণ পুকুর থেকে চোরাকারবারীর ফেলে দেওয়া অপর প্যাকেটটিও উদ্ধার করে। উদ্ধারকরা ২টি প্যাকেট হতে ২১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আটক ব্যক্তির ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২০২ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম। উদ্ধার করা স্বর্ণের তালিকা মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা।
ঘটনার ব্যাপারে নায়েক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় মামলা করে আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করেছে। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

এম এ মামুন
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি