ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সেন্ট লুসিয়া প্রকৃতি, পাহাড় আর সমুদ্রের মোহনীয় দ্বীপ গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল ট্রাক ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ: শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩ হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তানের শরীর ও মনে মায়ের জিনের প্রভাব কতটুকু ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল জাজিরার সাংবাদিক মোহাম্মদ উইশাহ নিহত আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ: ট্রাইব্যুনালে হাজির ৬ আসামি ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ রাফিয়া সুলতানা রাফির অকাল প্রয়াণ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বড় সাফল্য বাংলাদেশের, প্রবৃদ্ধি ৪৬%

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 226

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে নতুন গতি পেল বাংলাদেশ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটির বাজারে ৮০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি। এই প্রবৃদ্ধির হার চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের মতো শীর্ষ রপ্তানিকারকদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত জানুয়ারিতে দেশটি ৭২০ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ‘ডুমসডে প্লেন’: ইরানের ওপর কি তবে পরমাণু হামলার ছায়া

বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ। ২০২৩ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মার্কিন বাজারে রপ্তানি ২৫ শতাংশ কমে ৭২৯ কোটি ডলারে নেমে এলেও, ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য হলেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক আরোপের কারণে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেন। চীনা পোশাকের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক বসানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা বিকল্প সরবরাহকারী খুঁজছেন, যা বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। অনেক বিনিয়োগকারী চীন থেকে তাদের কারখানা সরিয়ে অন্য দেশে নিতে আগ্রহী, আর বাংলাদেশও এই বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

অটেক্সার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীন ১৬০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। একই সময়ে, ভিয়েতনাম রপ্তানি করেছে ১৪৪ কোটি ডলারের পোশাক, যা ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। তবে বাংলাদেশ যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, তা ভবিষ্যতে এই বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করার আশা জাগাচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বড় সাফল্য বাংলাদেশের, প্রবৃদ্ধি ৪৬%

আপডেট সময় ০৭:৩২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে নতুন গতি পেল বাংলাদেশ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটির বাজারে ৮০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি। এই প্রবৃদ্ধির হার চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের মতো শীর্ষ রপ্তানিকারকদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত জানুয়ারিতে দেশটি ৭২০ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ব্যবসায়িক সম্পর্ক: উন্নতির নতুন দিগন্ত

বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ। ২০২৩ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মার্কিন বাজারে রপ্তানি ২৫ শতাংশ কমে ৭২৯ কোটি ডলারে নেমে এলেও, ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য হলেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক আরোপের কারণে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেন। চীনা পোশাকের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক বসানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা বিকল্প সরবরাহকারী খুঁজছেন, যা বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। অনেক বিনিয়োগকারী চীন থেকে তাদের কারখানা সরিয়ে অন্য দেশে নিতে আগ্রহী, আর বাংলাদেশও এই বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

অটেক্সার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীন ১৬০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। একই সময়ে, ভিয়েতনাম রপ্তানি করেছে ১৪৪ কোটি ডলারের পোশাক, যা ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। তবে বাংলাদেশ যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, তা ভবিষ্যতে এই বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করার আশা জাগাচ্ছে।