ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

চলতি সপ্তাহেই হতে আরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি! আশা জাগাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 149

ছবি সংগৃহীত

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শেষ হতে পারে এই সপ্তাহেই, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র আত্মবিশ্বাসী যে, তিন বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তারা এই সপ্তাহের মধ্যেই একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করলে বিশ্ব রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে যায়। তিন বছর ধরে চলা এই সংঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির শিকার হয়েছে দুই পক্ষই। তবে এখন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করছেন যে, যুদ্ধের সমাপ্তি সম্ভব।

আরও পড়ুন  নতুন বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক সহিংস ঘটনা

ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর টিম এই যুদ্ধের উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।” তিনি আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাট ওয়াল্টজ এবং ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও এই সপ্তাহে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন।

যুদ্ধের শুরুতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দিকে দায়ারের আঙুল উঠলেও, এবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করেছে, তবে জেলেনস্কি এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে রুশ আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হতো।

এদিকে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তারা কিয়েভের পক্ষে তাদের সমর্থন জানাতে চান। পাশাপাশি, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, শিগগিরই ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক হতে পারে, যেখানে যুদ্ধবিরতি ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

চলতি সপ্তাহেই হতে আরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি! আশা জাগাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র 

আপডেট সময় ০৭:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শেষ হতে পারে এই সপ্তাহেই, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র আত্মবিশ্বাসী যে, তিন বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তারা এই সপ্তাহের মধ্যেই একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করলে বিশ্ব রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে যায়। তিন বছর ধরে চলা এই সংঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির শিকার হয়েছে দুই পক্ষই। তবে এখন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করছেন যে, যুদ্ধের সমাপ্তি সম্ভব।

আরও পড়ুন  নতুন বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক সহিংস ঘটনা

ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর টিম এই যুদ্ধের উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।” তিনি আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাট ওয়াল্টজ এবং ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও এই সপ্তাহে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন।

যুদ্ধের শুরুতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দিকে দায়ারের আঙুল উঠলেও, এবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করেছে, তবে জেলেনস্কি এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে রুশ আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হতো।

এদিকে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তারা কিয়েভের পক্ষে তাদের সমর্থন জানাতে চান। পাশাপাশি, রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, শিগগিরই ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক হতে পারে, যেখানে যুদ্ধবিরতি ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।