ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ড’: ছয়জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা নড়াইলে গাছ থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বছর শুরুর মাসেই ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৭ নগদ টাকা মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ডে’, অগ্রাধিকার পাবেন হতদরিদ্র ও নারীরা বৈধ সুবিধাকে অস্বীকার করে জনগণের সামনে সাধু সাজা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, হিরো আলম গ্রেপ্তার নিউজিল্যান্ড: প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার এক অনন্য দেশ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি, সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধে জার্মান চ্যান্সেলরের সমর্থন দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক

শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক ভিসি হাসিবুরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 108

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনের প্রতীক শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক হাসিবুর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার সকালে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় ট্রাইব্যুনালে। এই অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টরসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৩২২ মামলা দিল ডিএমপি

গত ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা এই মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়। একইসঙ্গে শহিদ আবু সাঈদকে হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার চার আসামি ইতিমধ্যেই কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের পার্ক মোড়ে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন ছাত্রনেতা আবু সাঈদ। হত্যাকাণ্ডের পরপরই সারাদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যা জুলাই আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়।

এ নিয়ে নিহতের পরিবারসহ আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিচার দাবি করে আসছিলেন। ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসিকিউশনের আইনজীবীরা জানান, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে শিগগিরই শুনানি শুরু হবে এবং মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন নিহত শহিদের পরিবার ও সহযোদ্ধারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক ভিসি হাসিবুরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপডেট সময় ০২:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

জুলাই আন্দোলনের প্রতীক শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক হাসিবুর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার সকালে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় ট্রাইব্যুনালে। এই অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টরসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের ‘আমেরিকা উপসাগর’ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান, হোয়াইট হাউসের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এপির মামলা

গত ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা এই মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়। একইসঙ্গে শহিদ আবু সাঈদকে হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার চার আসামি ইতিমধ্যেই কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের পার্ক মোড়ে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন ছাত্রনেতা আবু সাঈদ। হত্যাকাণ্ডের পরপরই সারাদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যা জুলাই আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়।

এ নিয়ে নিহতের পরিবারসহ আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিচার দাবি করে আসছিলেন। ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসিকিউশনের আইনজীবীরা জানান, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে শিগগিরই শুনানি শুরু হবে এবং মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন নিহত শহিদের পরিবার ও সহযোদ্ধারা।