ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত হচ্ছে: নির্বাচন কমিশনার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 245

ছবি সংগৃহীত

 

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর বিধান যুক্ত করে নতুন খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের অনুমতি থাকছে না এবং প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল উভয়কে হলফনামা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

আরও পড়ুন  সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা জুলাইয়ে: নির্বাচন কমিশনার

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধির খসড়া আমরা চূড়ান্ত করেছি। এতে উল্লেখ রয়েছে কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।”

সানাউল্লাহ আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নির্ধারিত সময় থাকবে তিন সপ্তাহ। এই সময়ের বাইরে প্রচার চালানো যাবে না। তাছাড়া, প্রচারণায় পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন কিংবা এমন কোনো মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এর পরিবর্তে প্রার্থীরা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন।

নতুন খসড়া আচরণবিধিতে রয়েছে আরও কিছু কঠোর শর্ত। প্রার্থীরা প্রচারে নামার আগে একটি হলফনামা দিতে বাধ্য থাকবেন, যেখানে তার সম্পদ বিবরণ, অপরাধ সংশ্লিষ্টতা ও নৈতিক অঙ্গীকার থাকবে।

এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে প্রার্থী থাকলে, প্রার্থী হওয়ার আগে তাকে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

নির্বাচনী বিধান লঙ্ঘনের শাস্তির ব্যাপারে সানাউল্লাহ বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এই খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে এবং সকল রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে মতামতের জন্য। তাদের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে নতুন আচরণবিধিকে।

নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে এ ধরনের বিধান যুক্ত করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত হচ্ছে: নির্বাচন কমিশনার

আপডেট সময় ০৫:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর বিধান যুক্ত করে নতুন খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের অনুমতি থাকছে না এবং প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল উভয়কে হলফনামা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

আরও পড়ুন  সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা জুলাইয়ে: নির্বাচন কমিশনার

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধির খসড়া আমরা চূড়ান্ত করেছি। এতে উল্লেখ রয়েছে কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।”

সানাউল্লাহ আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নির্ধারিত সময় থাকবে তিন সপ্তাহ। এই সময়ের বাইরে প্রচার চালানো যাবে না। তাছাড়া, প্রচারণায় পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন কিংবা এমন কোনো মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এর পরিবর্তে প্রার্থীরা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন।

নতুন খসড়া আচরণবিধিতে রয়েছে আরও কিছু কঠোর শর্ত। প্রার্থীরা প্রচারে নামার আগে একটি হলফনামা দিতে বাধ্য থাকবেন, যেখানে তার সম্পদ বিবরণ, অপরাধ সংশ্লিষ্টতা ও নৈতিক অঙ্গীকার থাকবে।

এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে প্রার্থী থাকলে, প্রার্থী হওয়ার আগে তাকে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

নির্বাচনী বিধান লঙ্ঘনের শাস্তির ব্যাপারে সানাউল্লাহ বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এই খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে এবং সকল রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে মতামতের জন্য। তাদের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে নতুন আচরণবিধিকে।

নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে এ ধরনের বিধান যুক্ত করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার।