ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 247

ছবি সংগৃহীত

 

 

কক্সবাজার শহরের গোলদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১,৪৪৩

রবিবার (১৫ জুন) রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার হয়, যা বেআইনিভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছিল।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে আনুমানিক ২০০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা চোলাই মদ তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত চোলাই মদ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ মাদক ও চোলাই মদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চোলাই মদ ধ্বংস এবং আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শহরের কিছু এলাকায় গোপনে চোলাই মদের উৎপাদন ও বেচাকেনা চলছিল বলে অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, চোলাই মদ একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি এটি সমাজে অপরাধ প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ৬

আপডেট সময় ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

কক্সবাজার শহরের গোলদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ জব্দ করেছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মদ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক ৩৯০ জন

রবিবার (১৫ জুন) রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে স্থানীয়ভাবে তৈরি বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার হয়, যা বেআইনিভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছিল।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে আনুমানিক ২০০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। অভিযুক্ত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধারণা করা হচ্ছে, তারা চোলাই মদ তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের ও জব্দকৃত চোলাই মদ কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ মাদক ও চোলাই মদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চোলাই মদ ধ্বংস এবং আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শহরের কিছু এলাকায় গোপনে চোলাই মদের উৎপাদন ও বেচাকেনা চলছিল বলে অভিযোগ ছিল অনেক দিন ধরে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

উল্লেখ্য, চোলাই মদ একদিকে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি এটি সমাজে অপরাধ প্রবণতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।