ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

টেকনাফে নেচার পার্কের পুকুরে বস্তাবন্দি গ্রেনেড, গুলি ও মদ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 153

ছবি: সংগৃহীত

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নেচার পার্কের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য। শনিবার (৩১ মে) সকালে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব উদ্ধার হয়।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়াস্থ নেচার পার্কে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত

তিনি বলেন, পার্কের ভেতরে একটি পুকুরে ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশির পর পানির নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি প্যাকেট শনাক্ত করা হয়। বস্তাটি তুলে খোলার পর দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে ১০টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১০টি গ্রেনেডের ডেটোনেটর, ২৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ২ লিটার দেশীয় বাংলা মদ।

ঘটনাস্থলে যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক, গুলি ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।

তিনি আরও বলেন, দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক টহল চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এসব এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে সফল হয়েছে।

অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং পাচার রোধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই পার্কের কিছু নির্জন এলাকাকে অপরাধীরা গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে নেচার পার্কের পুকুরে বস্তাবন্দি গ্রেনেড, গুলি ও মদ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নেচার পার্কের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য। শনিবার (৩১ মে) সকালে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব উদ্ধার হয়।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়াস্থ নেচার পার্কে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড ও পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

আরও পড়ুন  টেকনাফের জনতার ঐক্য: অপহরণকারীদের আটক করল স্থানীয়রা

তিনি বলেন, পার্কের ভেতরে একটি পুকুরে ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশির পর পানির নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি প্যাকেট শনাক্ত করা হয়। বস্তাটি তুলে খোলার পর দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে ১০টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১০টি গ্রেনেডের ডেটোনেটর, ২৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ২ লিটার দেশীয় বাংলা মদ।

ঘটনাস্থলে যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক, গুলি ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।

তিনি আরও বলেন, দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সার্বক্ষণিক টহল চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এসব এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে সফল হয়েছে।

অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং পাচার রোধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই পার্কের কিছু নির্জন এলাকাকে অপরাধীরা গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।