ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / 139

ছবি সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ন কবির এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন  সাতক্ষীরার ২০৩ কিমি সীমান্তে কড়া নজরদারি, বিজিবির টহলে নিরাপত্তা জোরদার

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ২৫ হাজার ৮১৩ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৩৮ হাজার ৯৮০ বোতল বিদেশি মদ, ১৩০ কেজি গাঁজা, ৬৫ হাজার ১৭৪ পিস ইয়াবা, ৩৭ কেজি হেরোইন, ৭৯ কেজি কোকেন, ৭ কেজি এলএসডি, ২৯ বোতল এবং ২১ হাজার ৩১৬ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট। এছাড়া ছিল ৯ হাজার ৮৪৫ পিস ভারতীয় ওষুধ এবং ৯ হাজার ৯৬০ পিস বাংলাদেশি ওষুধ।

মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, এসব উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, “দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্তে আমাদের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। মাদক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে বিজিবির এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংস কার্যক্রমটি ছিল প্রতীকীভাবে মাদকবিরোধী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী উদ্যোগ।

উল্লেখ্য, সীমান্ত অঞ্চলে মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে এসব মাদকদ্রব্য বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। বিজিবির এ ধরনের পদক্ষেপে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

আপডেট সময় ০৫:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

 

ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ন কবির এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন  সীমান্তে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহারের অনুমতি পেল বিজিবি

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ২৫ হাজার ৮১৩ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, ৩৮ হাজার ৯৮০ বোতল বিদেশি মদ, ১৩০ কেজি গাঁজা, ৬৫ হাজার ১৭৪ পিস ইয়াবা, ৩৭ কেজি হেরোইন, ৭৯ কেজি কোকেন, ৭ কেজি এলএসডি, ২৯ বোতল এবং ২১ হাজার ৩১৬ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট। এছাড়া ছিল ৯ হাজার ৮৪৫ পিস ভারতীয় ওষুধ এবং ৯ হাজার ৯৬০ পিস বাংলাদেশি ওষুধ।

মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, এসব উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, “দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্তে আমাদের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। মাদক চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে বিজিবির এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংস কার্যক্রমটি ছিল প্রতীকীভাবে মাদকবিরোধী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী উদ্যোগ।

উল্লেখ্য, সীমান্ত অঞ্চলে মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে এসব মাদকদ্রব্য বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। বিজিবির এ ধরনের পদক্ষেপে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।