ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয় সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

মাদারীপুরে শ্রমিক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের জেরে রণক্ষেত্র,শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 441

ছবি : সংগৃহীত

 

মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিক দল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন  কেএনএফের ইউনিফর্ম ইস্যুতে গুরুত্ব দিচ্ছে সেনাবাহিনী: ব্রিগেডিয়ার নাজিম

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের আসামি আক্তার হাওলাদারের সমর্থকদের সঙ্গে মামলার বাদী হাসান মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোররাতে আক্তার হাওলাদারের সমর্থকরা শ্রমিক দল নেতা হান্নান ঢালীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুইপক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার এবং একের পর এক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযানকালে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাদী ও আসামিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নতুন মাদারীপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’

মাদারিপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্য়ন্ত কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদারীপুরে শ্রমিক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের জেরে রণক্ষেত্র,শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

আপডেট সময় ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিক দল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন  কেএনএফের ইউনিফর্ম ইস্যুতে গুরুত্ব দিচ্ছে সেনাবাহিনী: ব্রিগেডিয়ার নাজিম

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের আসামি আক্তার হাওলাদারের সমর্থকদের সঙ্গে মামলার বাদী হাসান মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোররাতে আক্তার হাওলাদারের সমর্থকরা শ্রমিক দল নেতা হান্নান ঢালীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুইপক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার এবং একের পর এক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযানকালে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাদী ও আসামিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নতুন মাদারীপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’

মাদারিপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্য়ন্ত কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।