১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: কাল রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা রমজানে সাধারণের স্বস্তি: কাল থেকে টিসিবির ট্রাকে মিলবে ছোলা ও খেজুর সৌদিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ বাংলাদেশি ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার ‘জুলাই সনদ’-এ স্বাক্ষর করছে এনসিপি: সন্ধ্যায় যমুনায় যাচ্ছেন নাহিদরা সংসদ সদস্য থেকে সংস্কার পরিষদ: মঙ্গলবার দুই শপথ শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আজ ইতিহাস গড়লেন রাশিদ খান। বিশ্বের প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন আফগান এই জাদুকর। তবে রাশিদের অনন্য অর্জনের দিনে মাঠের প্রকৃত নায়কের নাম আজমাতউল্লাহ ওমারজাই। ব্যাটে-বলে এই অলরাউন্ডারের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানের এই জয়ে গ্রুপ সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। তৃতীয় দল হিসেবে ‘সুপার এইট’ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

 

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা আমিরাতকে শুরুতেই ধাক্কা দেন ওমারজাই। নিজের প্রথম ওভারেই জোড়া রিভিউয়ের নাটকীয়তার পর উইকেট তুলে নেন তিনি। যদিও অধিনায়ক মুহাম্মাদ ওয়াসিম ও সোহেইব খানের ব্যাটে চড়ে ১০ ওভারেই ৯৩ রান তুলে বড় সংগ্রহের পথে ছিল আমিরাত। কিন্তু ওমারজাইয়ের দ্বিতীয় স্পেলে দৃশ্যপট বদলে যায়। মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে আমিরাতকে ১৬০ রানে আটকে দেন তিনি।
মাঝখানে ইতিহাস গড়েন রাশিদ খান। আমিরাতের মুহাম্মাদ আরফানকে সাজঘরে ফিরিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেটের চূড়ায় ওঠেন তিনি।

 

১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি আফগানদের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই গোল্ডেন ডাক মেরে বিদায় নেন ফর্মে থাকা রাহমানউল্লাহ গুরবাজ। তিনে নামা গুলবাদিন নাইব (১৩) কিংবা সেদিকউল্লাহ আটালও (১৬) টেকেননি বেশিক্ষণ। একপ্রান্ত আগলে রাখা ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ৪১ বলে ৫৩ রান করে আউট হলে ম্যাচটি দারুণভাবে জমিয়ে তোলে আমিরাত।

শেষ ৬ ওভারে যখন ৬১ রান প্রয়োজন, তখন ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান ওমারজাই ও দারভিস রাসুলি। রাসুলি ৩৩ রান করে বিদায় নিলেও ওমারজাই অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। বিশেষ করে ১৯তম ওভারে ভাগ্য ও শক্তির জোরে ওমারজাইয়ের মারা ছক্কা ও চার আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করে। ২১ বলে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংসে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত: ২০ ওভারে ১৬০/৯ (সোহেইব ৬৮, শারাফু ৪০; ওমারজাই ৪/১৫, মুজিব ২/৩১, রাশিদ ১/২৪)।
আফগানিস্তান: ১৯.২ ওভারে ১৬২/৫ (ইব্রাহিম ৫৩, ওমারজাই ৪০*, রাসুলি ৩৩; জুনায়েদ ২/২৩)।
ফল: আফগানিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা: আজমাতউল্লাহ ওমারজাই।
আফগানরা তাদের পরের ম্যাচে বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে কানাডার মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে, টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া আমিরাত বুধবার লড়বে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের

আপডেট সময় ০৭:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আজ ইতিহাস গড়লেন রাশিদ খান। বিশ্বের প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন আফগান এই জাদুকর। তবে রাশিদের অনন্য অর্জনের দিনে মাঠের প্রকৃত নায়কের নাম আজমাতউল্লাহ ওমারজাই। ব্যাটে-বলে এই অলরাউন্ডারের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানের এই জয়ে গ্রুপ সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। তৃতীয় দল হিসেবে ‘সুপার এইট’ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

 

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা আমিরাতকে শুরুতেই ধাক্কা দেন ওমারজাই। নিজের প্রথম ওভারেই জোড়া রিভিউয়ের নাটকীয়তার পর উইকেট তুলে নেন তিনি। যদিও অধিনায়ক মুহাম্মাদ ওয়াসিম ও সোহেইব খানের ব্যাটে চড়ে ১০ ওভারেই ৯৩ রান তুলে বড় সংগ্রহের পথে ছিল আমিরাত। কিন্তু ওমারজাইয়ের দ্বিতীয় স্পেলে দৃশ্যপট বদলে যায়। মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে আমিরাতকে ১৬০ রানে আটকে দেন তিনি।
মাঝখানে ইতিহাস গড়েন রাশিদ খান। আমিরাতের মুহাম্মাদ আরফানকে সাজঘরে ফিরিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেটের চূড়ায় ওঠেন তিনি।

 

১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি আফগানদের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই গোল্ডেন ডাক মেরে বিদায় নেন ফর্মে থাকা রাহমানউল্লাহ গুরবাজ। তিনে নামা গুলবাদিন নাইব (১৩) কিংবা সেদিকউল্লাহ আটালও (১৬) টেকেননি বেশিক্ষণ। একপ্রান্ত আগলে রাখা ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ৪১ বলে ৫৩ রান করে আউট হলে ম্যাচটি দারুণভাবে জমিয়ে তোলে আমিরাত।

শেষ ৬ ওভারে যখন ৬১ রান প্রয়োজন, তখন ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান ওমারজাই ও দারভিস রাসুলি। রাসুলি ৩৩ রান করে বিদায় নিলেও ওমারজাই অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। বিশেষ করে ১৯তম ওভারে ভাগ্য ও শক্তির জোরে ওমারজাইয়ের মারা ছক্কা ও চার আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করে। ২১ বলে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংসে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত: ২০ ওভারে ১৬০/৯ (সোহেইব ৬৮, শারাফু ৪০; ওমারজাই ৪/১৫, মুজিব ২/৩১, রাশিদ ১/২৪)।
আফগানিস্তান: ১৯.২ ওভারে ১৬২/৫ (ইব্রাহিম ৫৩, ওমারজাই ৪০*, রাসুলি ৩৩; জুনায়েদ ২/২৩)।
ফল: আফগানিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা: আজমাতউল্লাহ ওমারজাই।
আফগানরা তাদের পরের ম্যাচে বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে কানাডার মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে, টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া আমিরাত বুধবার লড়বে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।