রিয়ালের জয়ে চাপে বার্সা ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে শক্ত অবস্থানে মাদ্রিদ
- আপডেট সময় ০২:২৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 30
মাদ্রিদের ত্রাতা কারেরাস ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকল রিয়াল। প্রতিপক্ষের মাঠে ২-০ গোলের দাপুটে জয়ে বার্সেলোনার ওপর পয়েন্ট টেবিলের চাপ অব্যাহত রেখেছে আনচেলত্তির দল।
মেস্তায়ায় কারেরাস-এমবাপ্পে শো! দ্বিতীয়ার্ধে আলভারো কারেরাসের একক নৈপুণ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ডেডলক ভাঙার পর, ইনজুরি টাইমে ভ্যালেন্সিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই জয়ে কেবল ৩ পয়েন্টই আসেনি, গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে হ্যারি কেনকেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড।
আলভারো আরবেলোয়ার জাদুকরী স্পর্শে শিরোপার সুবাস পাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ২৩ ম্যাচ শেষে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার ঠিক পেছনে, মাত্র এক পয়েন্ট ব্যবধানে অবস্থান করছে তারা। ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে এই জয় লস ব্লাঙ্কোসদের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।
শুরুতে ভ্যালেন্সিয়ার দাপট থাকলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে দেরি করেনি রিয়াল মাদ্রিদ। ১৯তম মিনিটে দুর্ভাগ্যের শিকার হন আর্দা গুলার। তার দুর্দান্ত এক প্রচেষ্টা রুখতে গিয়ে ভ্যালেন্সিয়ার উগো দুরো প্রায় নিজের জালেই বল পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বলটি পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে গেলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় স্বাগতিকরা।
ভ্যালেন্সিয়ার গোলপোস্টের নিচে যেন এক অতন্দ্র প্রহরী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন স্তোল দিমিত্রিয়েভস্কি। এমবাপ্পের একের পর এক আক্রমণ আর অভিষিক্ত দাভিদ জিমেনেজের বুলেট গতির শট রুখে দিয়ে মেসিডোনিয়ান এই গোলরক্ষক রিয়াল মাদ্রিদকে হতাশায় ডুবিয়ে রেখেছিলেন। বিশেষ করে ম্যাচের প্রথম আধঘণ্টা এমবাপ্পের প্রতিটি মুভমেন্টকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সামাল দিয়েছেন তিনি।
অবশেষে ৬৬তম মিনিটে মেস্তায়ায় ডেডলক ভাঙলেন কারেরাস! ভ্যালেন্সিয়ার তিন তিনজন ডিফেন্ডার তাকে ঘিরে ধরলেও কারোর বাধাই তাকে থামাতে পারেনি। এক জাদুকরী একক প্রচেষ্টায় বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি এরপর প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে নেওয়া তার নিখুঁত নিচু শটটি যখন জালে জড়ায়, স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো গ্যালারি।
৭১তম মিনিটে লিড হারানোর শঙ্কায় পড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। বেলট্রান সমতা ফেরানোর এক দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করার পর ম্যাচ যখন শেষের পথে, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আসেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৯১তম মিনিটে তার গোলে জয় নিশ্চিত করে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে আরবেলোয়ার দল।
দিয়াজের ড্রিবলিং আর এমবাপের ক্লিনিক্যাল ফিনিশিং! ভ্যালেন্সিয়ার হাফে জায়গা করে নিয়ে বাম দিক দিয়ে দিয়াজের সেই পাসটি বক্সে থাকা এমবাপের কাজটা একদম সহজ করে দিয়েছিল।
মায়োর্কাকে হারিয়ে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে বার্সেলোনা। তবে স্বস্তিতে নেই কাতালানরা, কারণ মাত্র ১ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে (৫৭ পয়েন্ট) তাদের ঠিক পেছনেই ওত পেতে আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ।
























