ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে হারের বেদনায় বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 195

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি হামজা চৌধুরী ও শমিত শোমদের। আজ ঘরের মাঠে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।

এই হার যেন ২০১৫ সালের সেই স্মৃতি ফিরিয়ে দিল ঠিক একই মাঠে, একই ব্যবধানে পরাজয়। অথচ শেষ মুহূর্তে তারিক কাজীর হেড যদি এক ইঞ্চি নিচে লাগত, তাহলে হয়তো ফলটা বদলে যেতে পারত। ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূস বাংলাদেশকে নিপীড়নের ছায়া থেকে বের করে আনছেন

প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারেনি। ৯ মিনিটেই গোল হজমের শঙ্কায় পড়ে দলটি। সিঙ্গাপুরের সং উইইয়াং বল পেয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করায় রক্ষা পায় স্বাগতিকরা। এরপর রাকিব হোসেন ও অভিষেক হওয়া শমিত শোমের প্রচেষ্টা চোখে পড়লেও গোলের দেখা মেলেনি।

৩০ মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভে দলকে বাঁচান গোলরক্ষক মিতুল মারমা। ফাহমিদুলের সামনে ছিল সুবর্ণ সুযোগ, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে মিতুল পোস্ট ছেড়ে যাওয়ায় সুযোগ নেয় সিঙ্গাপুর। উইইয়াংয়ের শটে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু ৫৯ মিনিটে ফের গোল হজম করে। দূরপাল্লার শট ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করেন ইখসান ফান্ডি। এরপরও হাল ছাড়েনি স্বাগতিকরা। ৬৭ মিনিটে হামজার পাস থেকে গোল করেন রাকিব হোসেন। যদিও তার শট মাহবুদের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়।

শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় বাংলাদেশ। যোগ করা সময়ে ফাহিম ও হামজা দুটি সুবর্ণ সুযোগ হারান। এমনকি একটি পেনাল্টি পাওয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়, তবে রেফারি কর্নারের সিদ্ধান্ত দেন। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত হারের ব্যবধান কমাতে মরিয়া ছিল স্বাগতিকরা।

অবশেষে ভালো খেলার পরও কপালে জোটে শুধু হারের হতাশা। গোলপোস্ট, ভাগ্য এবং সুযোগ মিস সব মিলিয়ে আজ ঢাকায় আরেকটি হৃদয়বিদারক হার দেখল বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে হারের বেদনায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১০:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি হামজা চৌধুরী ও শমিত শোমদের। আজ ঘরের মাঠে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।

এই হার যেন ২০১৫ সালের সেই স্মৃতি ফিরিয়ে দিল ঠিক একই মাঠে, একই ব্যবধানে পরাজয়। অথচ শেষ মুহূর্তে তারিক কাজীর হেড যদি এক ইঞ্চি নিচে লাগত, তাহলে হয়তো ফলটা বদলে যেতে পারত। ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন  ফায়ার ফাইটারদের চিকিৎসায় সিঙ্গাপুর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনা হলো

প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারেনি। ৯ মিনিটেই গোল হজমের শঙ্কায় পড়ে দলটি। সিঙ্গাপুরের সং উইইয়াং বল পেয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করায় রক্ষা পায় স্বাগতিকরা। এরপর রাকিব হোসেন ও অভিষেক হওয়া শমিত শোমের প্রচেষ্টা চোখে পড়লেও গোলের দেখা মেলেনি।

৩০ মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভে দলকে বাঁচান গোলরক্ষক মিতুল মারমা। ফাহমিদুলের সামনে ছিল সুবর্ণ সুযোগ, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে মিতুল পোস্ট ছেড়ে যাওয়ায় সুযোগ নেয় সিঙ্গাপুর। উইইয়াংয়ের শটে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু ৫৯ মিনিটে ফের গোল হজম করে। দূরপাল্লার শট ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করেন ইখসান ফান্ডি। এরপরও হাল ছাড়েনি স্বাগতিকরা। ৬৭ মিনিটে হামজার পাস থেকে গোল করেন রাকিব হোসেন। যদিও তার শট মাহবুদের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়।

শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় বাংলাদেশ। যোগ করা সময়ে ফাহিম ও হামজা দুটি সুবর্ণ সুযোগ হারান। এমনকি একটি পেনাল্টি পাওয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়, তবে রেফারি কর্নারের সিদ্ধান্ত দেন। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত হারের ব্যবধান কমাতে মরিয়া ছিল স্বাগতিকরা।

অবশেষে ভালো খেলার পরও কপালে জোটে শুধু হারের হতাশা। গোলপোস্ট, ভাগ্য এবং সুযোগ মিস সব মিলিয়ে আজ ঢাকায় আরেকটি হৃদয়বিদারক হার দেখল বাংলাদেশ।