আইনিভাবেই আওয়ামী লীগের বিষয় দেখা হবে: মির্জা ফখরুল
- আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 8
সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছেন নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কার্যালয়ে পৌঁছে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় পুনরায় খোলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম যেহেতু আইনগতভাবে নিষিদ্ধ, তাই তাদের অফিস খোলার বিষয়টিও আইনিভাবেই মোকাবিলা করা হবে। আমরা এটি প্রত্যাশা করিনি, তবে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।”
ঢাকার দুই সিটিসহ ছয়টি সিটি করপোরেশনে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর নির্বাচন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান:
সঠিক সময়ে নির্বাচন: প্রশাসক নিয়োগের ফলে নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে না; বরং সরকারি বিধি অনুযায়ী সঠিক সময়েই ভোট গ্রহণ হবে।
অগ্রাধিকার: স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে বর্তমান সরকার বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে এবং মেয়াদের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নারী আসনে মনোনয়ন: সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের প্রতি ত্যাগ এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততাকে প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে একই পরিবারের দুই সদস্য মনোনয়ন পাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
দীর্ঘ ১৯ মাস পর মন্ত্রী হিসেবে দপ্তরে ফিরে মির্জা ফখরুল আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বলেন, “এই অফিস থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এখান থেকেই আমরা জনগণকে অনুপ্রাণিত করেছি।” তিনি খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
নতুন সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। অতি অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর কর্মপদ্ধতি প্রমাণ করেছে যে তিনি দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে এসেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সুখী ও সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠবে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবে।”
নয়াপল্টনে মন্ত্রীর আগমনের সময় বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

























