ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নোয়াখালীর সেই ‘ধর্ষণকাণ্ড’: ছয়জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা নড়াইলে গাছ থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বছর শুরুর মাসেই ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৭ নগদ টাকা মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ডে’, অগ্রাধিকার পাবেন হতদরিদ্র ও নারীরা বৈধ সুবিধাকে অস্বীকার করে জনগণের সামনে সাধু সাজা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ, হিরো আলম গ্রেপ্তার নিউজিল্যান্ড: প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার এক অনন্য দেশ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি, সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধে জার্মান চ্যান্সেলরের সমর্থন দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক

সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি-জামায়াতের ভাগে কয়টি?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 29

ছবি সংগৃহীত

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট অনুযায়ী, ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি, এনসিপি ৬টি।

আরও পড়ুন  জামায়াতের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে ইসি

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি। গণঅধিকার পরিষদ একটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি, খেলাফত মজলিস পেয়েছে একটি আসন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন সাতটি আসন। সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা প্রয়োজন।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও কোনো জোটে যুক্ত হয়ে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। তবে স্বতন্ত্ররা কোনো জোটে যোগ দিলে আসনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি জোট ২১১টি আসন, জামায়াত জোট ৭৪টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছে। এর ফলে স্বতন্ত্ররাও সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন।

এদিকে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত রাখা হয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে ভোট স্থগিত হয়েছে। এ চারটি আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কম বা বেশি হতে পারে।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে কমপক্ষে ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে চাইলে দলগুলো জোটবদ্ধভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, এতে কোনো আইনি জটিলতা নেই।

ইসি জানায়, সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইসি এসব আসনের ভোট আয়োজন করবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা। প্রতিটি রাজনৈতিক দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুযায়ী একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। একক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রার্থী একের বেশি হলে ভোট নেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীরাই নির্বাচিত হন।

আইন অনুযায়ী, শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোট তাদের প্রার্থী তালিকা ইসিতে জমা দেয়। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য শপথগ্রহণ করা সদস্যদের দলভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি-জামায়াতের ভাগে কয়টি?

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট অনুযায়ী, ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি, এনসিপি ৬টি।

আরও পড়ুন  রাজশাহীতে জামায়াত কর্মীদের নিয়ে যাওয়া দুইটি বাস ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার, ৩ জন নিহত, আহত ৪০

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি। গণঅধিকার পরিষদ একটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি, খেলাফত মজলিস পেয়েছে একটি আসন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন সাতটি আসন। সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা প্রয়োজন।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও কোনো জোটে যুক্ত হয়ে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। তবে স্বতন্ত্ররা কোনো জোটে যোগ দিলে আসনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি জোট ২১১টি আসন, জামায়াত জোট ৭৪টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছে। এর ফলে স্বতন্ত্ররাও সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন।

এদিকে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত রাখা হয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে ভোট স্থগিত হয়েছে। এ চারটি আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কম বা বেশি হতে পারে।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে কমপক্ষে ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে চাইলে দলগুলো জোটবদ্ধভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, এতে কোনো আইনি জটিলতা নেই।

ইসি জানায়, সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইসি এসব আসনের ভোট আয়োজন করবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা। প্রতিটি রাজনৈতিক দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুযায়ী একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। একক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রার্থী একের বেশি হলে ভোট নেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীরাই নির্বাচিত হন।

আইন অনুযায়ী, শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোট তাদের প্রার্থী তালিকা ইসিতে জমা দেয়। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য শপথগ্রহণ করা সদস্যদের দলভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে।