আসন্ন নির্বাচনে নোয়াখালী-৬: হান্নান মাসউদ জোটের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত
- আপডেট সময় ১১:৩৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
- / 51
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ। ঘোষণার পর থেকে হাতিয়াজুড়ে রাজনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জোটের পক্ষ থেকে নোয়াখালী-৬ আসনের সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ১১ দলীয় জোটের আওতায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে ৩০টি আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং সারাদেশে মোট ২৫৩টি আসনে জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গণে মনোনয়নের পরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কিছু তৃণমূল নেতা মনে করছেন, প্রার্থী নির্বাচনের সমন্বয় প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হতে পারত। তবে হান্নান মাসউদের দীর্ঘ রাজনৈতিক যোগ্যতা ও পরিচিত মুখ হওয়ায় অনেকেই বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। হাতিয়া উপজেলার এক জোট নেতা (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) বলেন, “শুরুর কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও হান্নান মাসউদ পরিচিত মুখ। এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্কের কারণে ধীরে ধীরে সবাই একত্রিত হবে।”
প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, “১১ দলীয় জোট আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা আমি সততা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। হাতিয়া একটি অবহেলিত দ্বীপ উপজেলা, যেখানে মানুষের দীর্ঘদিনের অধিকার, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার অগ্রাধিকার পাবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক বিষয় নিয়ে আমি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”
এবার নোয়াখালী-৬ আসনে মোট ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন, যার মধ্যে ১১ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন: জামায়াতে ইসলামী থেকে অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে আব্দুল হান্নান মাসউদ, বিএনপি থেকে মো. মাহবুবুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ ফজলুল আজিম ও তানভীর উদ্দিন রাজিব।
এছাড়া জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে এ. টি. এম. নবী উল্যাহ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শরীফ, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) থেকে মোহাম্মদ আবুল হোসেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) থেকে আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
























