ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

‘আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 163

ছবি সংগৃহীত

 

 

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উদ্যোগে জোরালো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  ঈদের ছুটি শেষ, ঢাকায় নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

সকাল ১১টার দিকে পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। পরে আরও একটি অংশ যোগ দেয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মো. নূরুল ইসলাম ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে মো. বাদিউল কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না। দেশের প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আজই আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে সমাধানের পথ বের হবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, আজ আইন উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে বসবেন এবং যে সব ধারা সাধারণ কর্মচারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলো বাতিল করা হবে।”

পরিষদের নেতা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক সচিব এই আইন করে কর্মচারীদের দমন করতে চেয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব নিজে মামলা থাকা অবস্থায় কীভাবে অফিস করেন? তিনি এই আইন করে দ্বিচারিতা করেছেন।”

তিনি দাবি করেন, এই আইন বাতিল না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং জড়িত সচিবদের পদত্যাগ চাই। একইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান তিনি।

পরিষদের মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই কালো আইন জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত। আইন প্রত্যাহার না হলে আগামীকাল থেকে তিনদিন ছুটি নিয়ে সচিবালয়ে কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকবেন।”

পরিশেষে পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর জানান, আজ দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাদামতলায় কর্মচারীদের জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না’

আপডেট সময় ০৪:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উদ্যোগে জোরালো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  পশ্চিম তীরে সহিংসতার পর ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

সকাল ১১টার দিকে পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। পরে আরও একটি অংশ যোগ দেয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মো. নূরুল ইসলাম ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে মো. বাদিউল কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না। দেশের প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আজই আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে সমাধানের পথ বের হবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, আজ আইন উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে বসবেন এবং যে সব ধারা সাধারণ কর্মচারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলো বাতিল করা হবে।”

পরিষদের নেতা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক সচিব এই আইন করে কর্মচারীদের দমন করতে চেয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব নিজে মামলা থাকা অবস্থায় কীভাবে অফিস করেন? তিনি এই আইন করে দ্বিচারিতা করেছেন।”

তিনি দাবি করেন, এই আইন বাতিল না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং জড়িত সচিবদের পদত্যাগ চাই। একইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান তিনি।

পরিষদের মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই কালো আইন জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত। আইন প্রত্যাহার না হলে আগামীকাল থেকে তিনদিন ছুটি নিয়ে সচিবালয়ে কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকবেন।”

পরিশেষে পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর জানান, আজ দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাদামতলায় কর্মচারীদের জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।