ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল এনসিপি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 164

ছবি: সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১২ মে) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলমান আন্দোলনের যৌক্তিকতা তারা সমর্থন করলেও, জনগণের ইতিহাসবিরোধী কিংবা দলীয় স্লোগানে তারা জড়িত নয়।

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন যে, সাম্প্রতিক আন্দোলনে একটি পক্ষ দলীয় স্লোগান ও জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে কথা বলছে। এতে করে আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য থেকে দৃষ্টি সরে যাচ্ছে এবং জাতীয় ঐক্য গঠনের সম্ভাবনা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

আরও পড়ুন  এনসিপির অঙ্গসংগঠন ‘জাতীয় শ্রমিক শক্তি’র আত্মপ্রকাশ

বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, এনসিপির কোনো সদস্য এমন কোনো স্লোগান দেয়নি যা জনগণের সংগ্রাম ও ইতিহাসের বিরোধী। এ ধরনের আপত্তিকর স্লোগান যেসব পক্ষ দিয়েছে, দায়ভারও তাদেরই বহন করতে হবে। এনসিপি মনে করে, ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, এবং তাদের বক্তব্য ও স্লোগানে সে চেতনারই প্রতিফলন ঘটেছে।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় একপক্ষের আপত্তির পরও আন্দোলনকারীদের দৃঢ়তা প্রশংসনীয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও জানায়, যারা অতীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল বা গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে, তাদের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে জাতীয় ঐক্য গঠনে সহায়তা করা। চব্বিশের অভ্যুত্থানকে বাস্তবায়নের জন্য এই ঐক্য অপরিহার্য।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে ফ্যাসিবাদী জমানায় যারা নির্যাতিত হয়েছেন এবং চব্বিশের অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের এখন প্রয়োজন ‘বাংলাদেশপন্থি’ ভূমিকা পালন করে নতুন বাংলাদেশের নির্মাণে অংশ নেওয়া।

এনসিপি মনে করে, অতীতের বিভাজন ও আদর্শগত মতপার্থক্য মুছে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। কেবল ঐক্যবদ্ধ জনগণই মুজিববাদের আদর্শকে পরাজিত করে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে জাতীয় ঐক্যের পক্ষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল এনসিপি

আপডেট সময় ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১২ মে) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এনসিপি জানায়, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলমান আন্দোলনের যৌক্তিকতা তারা সমর্থন করলেও, জনগণের ইতিহাসবিরোধী কিংবা দলীয় স্লোগানে তারা জড়িত নয়।

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন যে, সাম্প্রতিক আন্দোলনে একটি পক্ষ দলীয় স্লোগান ও জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে কথা বলছে। এতে করে আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য থেকে দৃষ্টি সরে যাচ্ছে এবং জাতীয় ঐক্য গঠনের সম্ভাবনা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জুলাই সনদে ৩ দফা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি এনসিপির

বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, এনসিপির কোনো সদস্য এমন কোনো স্লোগান দেয়নি যা জনগণের সংগ্রাম ও ইতিহাসের বিরোধী। এ ধরনের আপত্তিকর স্লোগান যেসব পক্ষ দিয়েছে, দায়ভারও তাদেরই বহন করতে হবে। এনসিপি মনে করে, ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, এবং তাদের বক্তব্য ও স্লোগানে সে চেতনারই প্রতিফলন ঘটেছে।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় একপক্ষের আপত্তির পরও আন্দোলনকারীদের দৃঢ়তা প্রশংসনীয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও জানায়, যারা অতীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল বা গণহত্যায় সহযোগিতা করেছে, তাদের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে জাতীয় ঐক্য গঠনে সহায়তা করা। চব্বিশের অভ্যুত্থানকে বাস্তবায়নের জন্য এই ঐক্য অপরিহার্য।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে ফ্যাসিবাদী জমানায় যারা নির্যাতিত হয়েছেন এবং চব্বিশের অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের এখন প্রয়োজন ‘বাংলাদেশপন্থি’ ভূমিকা পালন করে নতুন বাংলাদেশের নির্মাণে অংশ নেওয়া।

এনসিপি মনে করে, অতীতের বিভাজন ও আদর্শগত মতপার্থক্য মুছে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। কেবল ঐক্যবদ্ধ জনগণই মুজিববাদের আদর্শকে পরাজিত করে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে পারবে।