রিমান্ড শেষে কারাগারে জাহের আলভী, তদন্তে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ পাওয়ার দাবি পুলিশের
- আপডেট সময় ০৬:০৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
- / 24
স্ত্রী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভীর দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে আলভীর কাছ থেকে মামলার তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আফজাল হোসাইন মৃধা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানির সময় আলভীকে এজলাসে হাজির করা হলেও তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবী মামলায় আর কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তা লিখিতভাবে আদালতকে জানানোর আবেদন করেন। জবাবে বিচারক বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখা হবে বলে জানান।
পরে বিচারক আলভীর কাছে তার কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চাইলে তিনি মাথা নেড়ে ‘না’ বলেন। রিমান্ড চলাকালে কোনো নির্যাতনের অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি তাতেও ‘না’ বলে জানান। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আদালতে আবেদন করে বলেন, আসামিকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক হবে। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বুধবার (১৮ জুন) জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। পরে শনিবার (২১ জুন) পুলিশ তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে মঙ্গলবার (২৪ জুন) শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে বুধবার (৪ জুন) আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
মামলার এজাহারে উল্লেখ আছে, গত শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আলভীর স্ত্রী ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহের আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানাকে আসামি করা হয়।











