ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের আধিপত্যের লড়াই: কুপিয়ে হত্যা করা হলো ‘এলেক্স ইমনকে’ শান্তি আলোচনা থেকে ইরান কি হার না মানার বার্তা দিতে চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, বৈচিত্র্য আর বিশ্বনেতৃত্বের প্রতীক হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, বৈচিত্র্য আর বিশ্বনেতৃত্বের প্রতীক হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু দুই কলেজ শিক্ষককে পার্সেলে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি মারা গেছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর নিহত মীরসরাইয়ে ৬০ কেজি গাঁজাসহ কাভার্ড ভ্যান জব্দ, গ্রেপ্তার ২

নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 106

ছবি: সংগৃহীত

 

বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথের পর ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। শপথ গ্রহণ শেষে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টনের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সালাহউদ্দিন আহমদকে পররাষ্ট্র এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন শেখ রবিউল আলম। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে খাদ্য এবং ড. মঈন খানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ড. মাহদী আমিনকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং অধ্যাপক হুমায়ুন কবিরকে শিক্ষা (সহকারী হিসেবে) বা সংশ্লিষ্ট বিশেষ দপ্তরে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এই নতুন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ

আপডেট সময় ০৬:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথের পর ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। শপথ গ্রহণ শেষে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টনের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সালাহউদ্দিন আহমদকে পররাষ্ট্র এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর শপথে আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিব

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন শেখ রবিউল আলম। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে খাদ্য এবং ড. মঈন খানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ড. মাহদী আমিনকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং অধ্যাপক হুমায়ুন কবিরকে শিক্ষা (সহকারী হিসেবে) বা সংশ্লিষ্ট বিশেষ দপ্তরে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এই নতুন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।