১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ফিজি: প্রশান্ত মহাসাগরের হারানো রত্ন ‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত: প্রধান বিচারপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, “আমরা এমন একটি দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যেখানে সবাই বলবে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় দেয়নি, বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।”

বুধবার (১৪ মে) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে ‘ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হক। উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আজাদ সুবহানী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কমিটির সদস্য সচিব সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম জামিউল হক ফয়সাল।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা যে পথে এগোচ্ছি তা সহজ নয়, কিন্তু বিচার বিভাগের সাড়া দেখে আমি অনুপ্রাণিত। রাজধানীসহ দেশের সাতটি বিভাগে ঘুরে আমি বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন পেশার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন এই দায়িত্ব নিজেদের বলে মনে করেন।”

তিনি জানান, বিচার ব্যবস্থার এই সংস্কারে উন্নয়ন সহযোগীরাও পাশে আছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) গত ডিসেম্বর থেকে সরাসরি সম্পৃক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, সুইডেনসহ অন্যান্য সহযোগীরা প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি নৈতিক সমর্থনও দিয়ে যাচ্ছে। তাদের আস্থাই এই ভিশনকে এগিয়ে নিচ্ছে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য সেই মানুষ, যারা দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে ন্যায়বিচারের আশায় চেয়ে থাকেন। তাই সরকারের কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিচারক, গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানাই মানুষকেন্দ্রিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে সবাই যেন নতুন প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেন।”

বিচার ব্যবস্থায় অভিগম্যতা ও তথ্যপ্রবাহ সহজ করতে দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে সহায়তা হেল্পলাইন চালুর ঘোষণা দেন তিনি। জানান, ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে এই হেল্পলাইন চালু করা হবে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা তাৎক্ষণিক অভিযোগ জানাতে পারেন।

এ উদ্যোগকে তিনি বিচার বিভাগের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক বলে মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ১০:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, “আমরা এমন একটি দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যেখানে সবাই বলবে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় দেয়নি, বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।”

বুধবার (১৪ মে) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে ‘ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হক। উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আজাদ সুবহানী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কমিটির সদস্য সচিব সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম জামিউল হক ফয়সাল।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা যে পথে এগোচ্ছি তা সহজ নয়, কিন্তু বিচার বিভাগের সাড়া দেখে আমি অনুপ্রাণিত। রাজধানীসহ দেশের সাতটি বিভাগে ঘুরে আমি বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন পেশার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাই তারা যেন এই দায়িত্ব নিজেদের বলে মনে করেন।”

তিনি জানান, বিচার ব্যবস্থার এই সংস্কারে উন্নয়ন সহযোগীরাও পাশে আছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) গত ডিসেম্বর থেকে সরাসরি সম্পৃক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, সুইডেনসহ অন্যান্য সহযোগীরা প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি নৈতিক সমর্থনও দিয়ে যাচ্ছে। তাদের আস্থাই এই ভিশনকে এগিয়ে নিচ্ছে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য সেই মানুষ, যারা দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে ন্যায়বিচারের আশায় চেয়ে থাকেন। তাই সরকারের কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিচারক, গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সহযোগীদের আহ্বান জানাই মানুষকেন্দ্রিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে সবাই যেন নতুন প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেন।”

বিচার ব্যবস্থায় অভিগম্যতা ও তথ্যপ্রবাহ সহজ করতে দেশের সব অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে সহায়তা হেল্পলাইন চালুর ঘোষণা দেন তিনি। জানান, ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে এই হেল্পলাইন চালু করা হবে, যাতে বিচারপ্রার্থীরা তাৎক্ষণিক অভিযোগ জানাতে পারেন।

এ উদ্যোগকে তিনি বিচার বিভাগের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক বলে মন্তব্য করেন।