১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা: নারী ও শিশুসহ নিহত অন্তত ১০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 113

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় আবারও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এবার হামলার লক্ষ্য ছিল একটি স্কুল ভবন, যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

সোমবার (১২ মে) স্থানীয় সময় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলার এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।

বিজ্ঞাপন

সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, গাজার জাবালিয়া শহরের ফাতিমা বিনতে আসাদ নামক একটি স্কুল ভবনে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। সেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবারগুলোর অনেক সদস্য আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতের আঁধারে চালানো এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে এই হামলাকে ‘চরম অমানবিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় অধিকারকর্মীরা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলা তীব্রতর হয়েছে। হাসপাতালে, স্কুলে ও শরণার্থী শিবিরেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহলে বারবার আহ্বান জানানো হলেও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে কোনও বিরতি দেখা যাচ্ছে না।

এ ধরনের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিরীহ বেসামরিক জনগণ। বিশেষ করে শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে এবং বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে।

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটময় হয়ে উঠছে। সীমিত চিকিৎসা সুবিধা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে এলাকাবাসী মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

বহু পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা: নারী ও শিশুসহ নিহত অন্তত ১০

আপডেট সময় ০৭:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় আবারও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এবার হামলার লক্ষ্য ছিল একটি স্কুল ভবন, যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

সোমবার (১২ মে) স্থানীয় সময় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলার এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।

বিজ্ঞাপন

সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, গাজার জাবালিয়া শহরের ফাতিমা বিনতে আসাদ নামক একটি স্কুল ভবনে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। সেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবারগুলোর অনেক সদস্য আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতের আঁধারে চালানো এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে এই হামলাকে ‘চরম অমানবিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় অধিকারকর্মীরা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলা তীব্রতর হয়েছে। হাসপাতালে, স্কুলে ও শরণার্থী শিবিরেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহলে বারবার আহ্বান জানানো হলেও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে কোনও বিরতি দেখা যাচ্ছে না।

এ ধরনের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিরীহ বেসামরিক জনগণ। বিশেষ করে শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে এবং বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে।

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটময় হয়ে উঠছে। সীমিত চিকিৎসা সুবিধা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে এলাকাবাসী মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

বহু পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা।