ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন

রাজপথে নেমে আসার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানালেন সারজিস আলম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 180

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে আজ সোমবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘নো ওয়ার্ক, নো ক্লাস’ কর্মসূচি। সকাল থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই কর্মসূচি যেন পরিণত হয়েছে মানবতার এক অবিস্মরণীয় অভ্যুত্থানে।

গণজাগরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। তার বার্তায় উঠে আসে হৃদয়ের গভীর আর্তি “বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন। মার্চ ফর গাজা, মার্চ ফর প্যালেস্টাইন।”

আরও পড়ুন  সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণহীন ১২ দলীয় জোট, ১৬ বছরের আন্দোলনের স্বীকৃতি দাবি

তিনি আরও বলেন, “আমরা হয়তো সরাসরি গাজার ভাইদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে পারব না। কিন্তু তাদের সংগ্রামের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করতে পারি। অন্তত রাজপথে দাঁড়াতে পারি তাদের জন্য, মানবতার জন্য, ন্যায়ের পক্ষে।”

এর আগেও রবিবার এক পোস্টে সারজিস আহ্বান জানিয়েছিলেন, দল-মত নির্বিশেষে ‘বাংলাদেশ’ ব্যানারে একত্রিত হয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় নামার। বিএনপি, জামায়াত কিংবা এনসিপি নয় এই আন্দোলন যেন হয়ে ওঠে সকল মানুষের, সকল বিবেকের প্রতিধ্বনি।

তার ভাষায়, “এটা কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়। এটা একটিমাত্র পরিচয়ের আমরা মানুষ। আমরা ন্যায়ের পক্ষে। আমরা গাজার পক্ষে।” তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহুর খুনে নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে বাংলার মাটিতে প্রতিধ্বনিত হোক প্রতিবাদের স্লোগান।”

রাজপথে নামা শিক্ষার্থীদের হাতে দেখা গেছে পোস্টার, ব্যানার ও ফিলিস্তিনের পতাকা। তাদের চোখে ছিল ক্ষোভ, মুখে ছিল প্রতিবাদের জোরাল আওয়াজ।

এই আন্দোলন আজ আর শুধু ফিলিস্তিনের পক্ষে নয়, এটি পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক ন্যায়ের দাবিতে এক জাতিগত জাগরণে। বাংলাদেশের মানুষ আজ আবারও প্রমাণ করলো মানবতার প্রশ্নে এদেশ কোনোদিন নীরব থাকে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজপথে নেমে আসার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানালেন সারজিস আলম

আপডেট সময় ০৬:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে আজ সোমবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘নো ওয়ার্ক, নো ক্লাস’ কর্মসূচি। সকাল থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই কর্মসূচি যেন পরিণত হয়েছে মানবতার এক অবিস্মরণীয় অভ্যুত্থানে।

গণজাগরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। তার বার্তায় উঠে আসে হৃদয়ের গভীর আর্তি “বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন। মার্চ ফর গাজা, মার্চ ফর প্যালেস্টাইন।”

আরও পড়ুন  গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

তিনি আরও বলেন, “আমরা হয়তো সরাসরি গাজার ভাইদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে পারব না। কিন্তু তাদের সংগ্রামের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করতে পারি। অন্তত রাজপথে দাঁড়াতে পারি তাদের জন্য, মানবতার জন্য, ন্যায়ের পক্ষে।”

এর আগেও রবিবার এক পোস্টে সারজিস আহ্বান জানিয়েছিলেন, দল-মত নির্বিশেষে ‘বাংলাদেশ’ ব্যানারে একত্রিত হয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় নামার। বিএনপি, জামায়াত কিংবা এনসিপি নয় এই আন্দোলন যেন হয়ে ওঠে সকল মানুষের, সকল বিবেকের প্রতিধ্বনি।

তার ভাষায়, “এটা কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়। এটা একটিমাত্র পরিচয়ের আমরা মানুষ। আমরা ন্যায়ের পক্ষে। আমরা গাজার পক্ষে।” তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহুর খুনে নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে বাংলার মাটিতে প্রতিধ্বনিত হোক প্রতিবাদের স্লোগান।”

রাজপথে নামা শিক্ষার্থীদের হাতে দেখা গেছে পোস্টার, ব্যানার ও ফিলিস্তিনের পতাকা। তাদের চোখে ছিল ক্ষোভ, মুখে ছিল প্রতিবাদের জোরাল আওয়াজ।

এই আন্দোলন আজ আর শুধু ফিলিস্তিনের পক্ষে নয়, এটি পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক ন্যায়ের দাবিতে এক জাতিগত জাগরণে। বাংলাদেশের মানুষ আজ আবারও প্রমাণ করলো মানবতার প্রশ্নে এদেশ কোনোদিন নীরব থাকে না।