১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর

তিন জিম্মির বিনিময়ে ১৮৩ ফিলিস্তিনি মুক্তি পাচ্ছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 107

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজায় ১৫ মাস ধরে চলমান ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাস তিন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল ১৮৩ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে।

গতকাল ফ্রেঞ্চ-ইসরায়েলি দ্বৈত নাগরিক ওফার কালদেরন এবং ইয়ার্ডেন বিবাসকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে রেডক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘণ্টাখানেক পর মুক্তি পান আমেরিকান-ইসরায়েলি দ্বৈত নাগরিক কিথ সিগেল। মুক্তির সময় কালদেরন, বিবাস ও সিগেল জনতার উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে সম্মতি জানান।

বিজ্ঞাপন

মুক্ত কালদেরন ও বিবাস ইতিমধ্যেই ইসরায়েলে পৌঁছেছেন, তবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার আগে তাদের মেডিকেল চেকআপ করতে হয়েছে। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লুসিয়ানো জাকারা বলেন, “ইসরায়েল দাবি করছে হামাস ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বন্দি বিনিময় সঠিক সময়ে হচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে।”

এদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের পশ্চিম তীরের ওফার এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগার থেকে স্থানান্তর করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়া বন্দিদের বহনকারী বাসগুলো খান ইউনিসের ইউরোপীয় হাসপাতালে পৌঁছায়, যেখানে তারা পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন।

গাজার রাফাহ ক্রসিং ২০২৪ সালের মে মাসের পর প্রথমবারের মতো খুলে দেওয়া হয়েছে, যা আহত ও অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক করিডোর হিসেবে কাজ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তিন জিম্মির বিনিময়ে ১৮৩ ফিলিস্তিনি মুক্তি পাচ্ছে

আপডেট সময় ০১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

গাজায় ১৫ মাস ধরে চলমান ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাস তিন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল ১৮৩ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে।

গতকাল ফ্রেঞ্চ-ইসরায়েলি দ্বৈত নাগরিক ওফার কালদেরন এবং ইয়ার্ডেন বিবাসকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে রেডক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘণ্টাখানেক পর মুক্তি পান আমেরিকান-ইসরায়েলি দ্বৈত নাগরিক কিথ সিগেল। মুক্তির সময় কালদেরন, বিবাস ও সিগেল জনতার উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে সম্মতি জানান।

বিজ্ঞাপন

মুক্ত কালদেরন ও বিবাস ইতিমধ্যেই ইসরায়েলে পৌঁছেছেন, তবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার আগে তাদের মেডিকেল চেকআপ করতে হয়েছে। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লুসিয়ানো জাকারা বলেন, “ইসরায়েল দাবি করছে হামাস ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বন্দি বিনিময় সঠিক সময়ে হচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে।”

এদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের পশ্চিম তীরের ওফার এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের কেটজিওট কারাগার থেকে স্থানান্তর করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়া বন্দিদের বহনকারী বাসগুলো খান ইউনিসের ইউরোপীয় হাসপাতালে পৌঁছায়, যেখানে তারা পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন।

গাজার রাফাহ ক্রসিং ২০২৪ সালের মে মাসের পর প্রথমবারের মতো খুলে দেওয়া হয়েছে, যা আহত ও অসুস্থ ফিলিস্তিনিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানবিক করিডোর হিসেবে কাজ করবে।