ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১৮৩ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি: শান্তির আশায় নতুন পদক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 453

ছবি: সংগৃহীত

 

২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন আরও ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দি। হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির আওতায় এই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি বন্দিদের অফিসিয়াল দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব বন্দির মধ্যে ১৮ জন যাবজ্জীবন কারাভোগ করছিলেন, ৫৪ জনের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী সাজা ছিল এবং বাকি ১১ জনকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আটক করা হয়েছিল। প্রথমে ৯০ জন বন্দির মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলেও পরে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮৩ জনে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন  গাজায় আবারও ইসরায়েলি হামলা: নারীসহ নিহত আরও ১২ ফিলিস্তিনি

ফিলিস্তিনি বন্দিদের সোসাইটির মুখপাত্র আমানি সারাহনেহ জানান, শনিবার দখলদার ইসরায়েল ১৮৩ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, হামাসও জানায় যে তারা তিনজন বন্দিকে মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে দুজন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন। হামাসের মুখপাত্র আবু ওবায়দা এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছে, ইয়ারদেন বিবাস, কেইথ সেইগেল এবং ওফার কালদেরনকে মুক্তি দেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার, হামাস থাইল্যান্ডের পাঁচজন ও তিনজন ইসরায়েলি নাগরিকসহ মোট আটজনকে মুক্তি দেয়। এছাড়া, ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১১০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হয়। যদিও, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রথমে মুক্তির বিষয়টি বিলম্বিত করেছিলেন।

এদিকে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পরে হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এই শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, প্রথম ধাপে ৩৩ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে হামাস। বিনিময়ে, শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসরায়েল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১৮৩ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি: শান্তির আশায় নতুন পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০১:১৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন আরও ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দি। হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির আওতায় এই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি বন্দিদের অফিসিয়াল দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব বন্দির মধ্যে ১৮ জন যাবজ্জীবন কারাভোগ করছিলেন, ৫৪ জনের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী সাজা ছিল এবং বাকি ১১ জনকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আটক করা হয়েছিল। প্রথমে ৯০ জন বন্দির মুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলেও পরে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮৩ জনে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন  কর্ণাটকে ইসরায়েলি নারী পর্যটক ও স্থানীয় নারীর ধর্ষণ, পুলিশ মামলা দায়ের

ফিলিস্তিনি বন্দিদের সোসাইটির মুখপাত্র আমানি সারাহনেহ জানান, শনিবার দখলদার ইসরায়েল ১৮৩ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, হামাসও জানায় যে তারা তিনজন বন্দিকে মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে দুজন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন। হামাসের মুখপাত্র আবু ওবায়দা এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছে, ইয়ারদেন বিবাস, কেইথ সেইগেল এবং ওফার কালদেরনকে মুক্তি দেওয়া হবে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার, হামাস থাইল্যান্ডের পাঁচজন ও তিনজন ইসরায়েলি নাগরিকসহ মোট আটজনকে মুক্তি দেয়। এছাড়া, ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১১০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হয়। যদিও, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রথমে মুক্তির বিষয়টি বিলম্বিত করেছিলেন।

এদিকে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পরে হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এই শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, প্রথম ধাপে ৩৩ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে হামাস। বিনিময়ে, শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসরায়েল।