০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

গাজায় অবিলম্বে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / 102

ছবি সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এ সময় তিনি গাজায় অবিলম্বে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান যুক্তরাজ্যের প্রতি।

বুধবার (৯ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে জানানো হয়, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের সদস্যদের উদ্দেশে দেয়া ঐতিহাসিক বক্তৃতায় ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘গাজা এখন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই পশ্চিম তীরে চালানো হচ্ছে হামলা। এমন পরিস্থিতিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন সবচেয়ে বড় হুমকির মুখে।’

ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ‘বর্তমান সংকটের নিরসনে দুটি রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই একমাত্র পথ। একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান, ফ্রান্সের সঙ্গে একযোগে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে। তিনি বলেন, ‘এটি শান্তির একমাত্র পথ।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটে ফ্রান্স বরাবরই দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। তবে এই প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে যুক্তরাজ্যকে আহ্বান জানালেন—একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তির উদ্যোগকে দৃঢ় করতে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মতো আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে ম্যাক্রোঁর এই বক্তব্য কেবল প্রতীকী নয়, বরং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বিশ্বে নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরির বার্তা বহন করে।

ফিলিস্তিন প্রশ্নে ইসরায়েলের নিরঙ্কুশ সমর্থক হিসেবে পরিচিত পশ্চিমা বিশ্বের নীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা হলেও পরিবর্তনের আভাস মিলছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সের এই অবস্থানকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় অবিলম্বে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর

আপডেট সময় ০১:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এ সময় তিনি গাজায় অবিলম্বে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান যুক্তরাজ্যের প্রতি।

বুধবার (৯ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে জানানো হয়, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের সদস্যদের উদ্দেশে দেয়া ঐতিহাসিক বক্তৃতায় ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘গাজা এখন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই পশ্চিম তীরে চালানো হচ্ছে হামলা। এমন পরিস্থিতিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন সবচেয়ে বড় হুমকির মুখে।’

ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ‘বর্তমান সংকটের নিরসনে দুটি রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই একমাত্র পথ। একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান, ফ্রান্সের সঙ্গে একযোগে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে। তিনি বলেন, ‘এটি শান্তির একমাত্র পথ।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটে ফ্রান্স বরাবরই দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। তবে এই প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে যুক্তরাজ্যকে আহ্বান জানালেন—একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তির উদ্যোগকে দৃঢ় করতে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মতো আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে ম্যাক্রোঁর এই বক্তব্য কেবল প্রতীকী নয়, বরং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বিশ্বে নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরির বার্তা বহন করে।

ফিলিস্তিন প্রশ্নে ইসরায়েলের নিরঙ্কুশ সমর্থক হিসেবে পরিচিত পশ্চিমা বিশ্বের নীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা হলেও পরিবর্তনের আভাস মিলছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সের এই অবস্থানকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বিশ্লেষকরা।