ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ বাতিল: সূচি থেকে বাদ পড়ল টাইগারদের সফর ‘আমি এই কাজ করিনি’ হাদি হত্যা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফয়সাল ইরান চালু করেছে সর্বোচ্চ মূল্যমানের ১০ মিলিয়ন রিয়াল নোট ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ

দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 175

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণ কোরিয়ায় অভিশংসনের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণের পর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন দেশটির নাগরিকরা। সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর পার্লামেন্ট ইউনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিলে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষাপটে আজ মঙ্গলবার (৩ জুন) অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন।

স্থানীয় সময় ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। সারাদেশে স্থাপন করা হয়েছে ১৪,২৯৫টি ভোটকেন্দ্র, যেখানে নাগরিকরা তাদের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট ইউনের পদত্যাগ: নির্বাচন ৬০ দিনের মধ্যে

নির্বাচনপূর্ব জরিপগুলোতে দেখা গেছে, বিরোধীদল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী লি জে মিয়ং জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ক্ষমতাসীন পিপল পাওয়ার পার্টির প্রার্থী কিম মুন সু, যিনি অভিশংসিত ইউন সুক ইওলের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

ছয় মাস আগে ইউন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে সামরিক আইন জারির ঘোষণা দিয়ে দেশটিকে গভীর রাজনৈতিক সংকটে ঠেলে দেন। তার এই উদ্যোগ ব্যর্থ হলে দেশটির জাতীয় পার্লামেন্ট অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে সরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নেতৃত্ব সংকট বিরাজ করছে।

নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণ এখন স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র, নীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও দেশব্যাপী কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটারদের উপস্থিতিও লক্ষ্যণীয়ভাবে ভালো, যা দেশটির রাজনৈতিক সচেতনতার প্রতিফলন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সবমিলিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আজকের নির্বাচন দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠতে যাচ্ছে, যেখানে একটি ব্যর্থ সামরিক পদক্ষেপের পর গণতন্ত্রের বিজয়ের আশায় এগিয়ে চলেছে জনগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ

আপডেট সময় ০১:১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

দক্ষিণ কোরিয়ায় অভিশংসনের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণের পর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন দেশটির নাগরিকরা। সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর পার্লামেন্ট ইউনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিলে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষাপটে আজ মঙ্গলবার (৩ জুন) অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন।

স্থানীয় সময় ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। সারাদেশে স্থাপন করা হয়েছে ১৪,২৯৫টি ভোটকেন্দ্র, যেখানে নাগরিকরা তাদের নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বুসান বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানে অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা

নির্বাচনপূর্ব জরিপগুলোতে দেখা গেছে, বিরোধীদল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী লি জে মিয়ং জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ক্ষমতাসীন পিপল পাওয়ার পার্টির প্রার্থী কিম মুন সু, যিনি অভিশংসিত ইউন সুক ইওলের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

ছয় মাস আগে ইউন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে সামরিক আইন জারির ঘোষণা দিয়ে দেশটিকে গভীর রাজনৈতিক সংকটে ঠেলে দেন। তার এই উদ্যোগ ব্যর্থ হলে দেশটির জাতীয় পার্লামেন্ট অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে সরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নেতৃত্ব সংকট বিরাজ করছে।

নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণ এখন স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র, নীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও দেশব্যাপী কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটারদের উপস্থিতিও লক্ষ্যণীয়ভাবে ভালো, যা দেশটির রাজনৈতিক সচেতনতার প্রতিফলন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সবমিলিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আজকের নির্বাচন দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠতে যাচ্ছে, যেখানে একটি ব্যর্থ সামরিক পদক্ষেপের পর গণতন্ত্রের বিজয়ের আশায় এগিয়ে চলেছে জনগণ।