ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে সর্বোচ্চ অবসরের বয়সের রেকর্ড গড়ছে ডেনমার্ক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 128

ছবি সংগৃহীত

 

ডেনমার্কে অবসরের বয়স ৭০ বছরে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এরইমধ্যে ডেনমার্কের পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এটি হবে সর্বোচ্চ অবসরের বয়সসীমা।

গত বৃহস্পতিবার (২২ মে) পার্লামেন্টে এই আইন পাশ হয়। এতে ৮১ জন সংসদ সদস্য প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, আর বিপক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ২১টি। ফলে বড় ব্যবধানে নতুন অবসরের বয়স বৃদ্ধির প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প ইউরোপ থেকে ২০,০০০ আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহার করবেন।

নতুন এই আইন অনুযায়ী, ১৯৭০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের ক্ষেত্রেই ৭০ বছর বয়সে অবসরের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে ডেনমার্কে অবসরের বয়স ৬৭ বছর। তবে ১৯৬৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া নাগরিকদের ক্ষেত্রে এটি ৬৯ বছর পর্যন্ত যেতে পারে।

পর্যায়ক্রমে অবসরের বয়স বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। ২০৩০ সালে এটি ৬৭ থেকে বাড়িয়ে ৬৮ বছর করা হবে, ২০৩৫ সালে ৬৯ এবং ২০৪০ সালে তা পৌঁছাবে ৭০ বছরে। অর্থাৎ, ২০৪০ সাল থেকেই নতুন আইনটি পূর্ণভাবে কার্যকর হবে।

ডেনমার্কের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। যার মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার নাগরিকের বয়স ৬০ থেকে ৬৯ এর মধ্যে এবং ৫ লাখ ৮০ হাজার নাগরিকের বয়স ৭০ থেকে ৭৯ বছর।

নতুন এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে দেশটির কর্মসংস্থানমন্ত্রী অ্যান হ্যালসবো-জর্গেনসেন এক বিবৃতিতে বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণ ও টেকসই পেনশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আমাদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি করতে হচ্ছে।”

ডেনমার্কের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে ভবিষ্যতের কর্মজীবী সমাজের জন্য একটি বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন বয়স্কদের দীর্ঘ সময় কাজ করার সক্ষমতা নিয়ে।

তবে সরকার বলছে, গড় আয়ু যেহেতু বাড়ছে, তাই কর্মক্ষম জীবনও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। আর সেই বাস্তবতায় সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই রাখতে এমন উদ্যোগ নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপে সর্বোচ্চ অবসরের বয়সের রেকর্ড গড়ছে ডেনমার্ক

আপডেট সময় ০৪:৪৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

ডেনমার্কে অবসরের বয়স ৭০ বছরে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এরইমধ্যে ডেনমার্কের পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এটি হবে সর্বোচ্চ অবসরের বয়সসীমা।

গত বৃহস্পতিবার (২২ মে) পার্লামেন্টে এই আইন পাশ হয়। এতে ৮১ জন সংসদ সদস্য প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, আর বিপক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ২১টি। ফলে বড় ব্যবধানে নতুন অবসরের বয়স বৃদ্ধির প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

আরও পড়ুন  ফ্রান্সের হাতে ইউরোপের নিরাপত্তার ভার: প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

নতুন এই আইন অনুযায়ী, ১৯৭০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর জন্ম নেওয়া নাগরিকদের ক্ষেত্রেই ৭০ বছর বয়সে অবসরের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে ডেনমার্কে অবসরের বয়স ৬৭ বছর। তবে ১৯৬৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া নাগরিকদের ক্ষেত্রে এটি ৬৯ বছর পর্যন্ত যেতে পারে।

পর্যায়ক্রমে অবসরের বয়স বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। ২০৩০ সালে এটি ৬৭ থেকে বাড়িয়ে ৬৮ বছর করা হবে, ২০৩৫ সালে ৬৯ এবং ২০৪০ সালে তা পৌঁছাবে ৭০ বছরে। অর্থাৎ, ২০৪০ সাল থেকেই নতুন আইনটি পূর্ণভাবে কার্যকর হবে।

ডেনমার্কের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। যার মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার নাগরিকের বয়স ৬০ থেকে ৬৯ এর মধ্যে এবং ৫ লাখ ৮০ হাজার নাগরিকের বয়স ৭০ থেকে ৭৯ বছর।

নতুন এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে দেশটির কর্মসংস্থানমন্ত্রী অ্যান হ্যালসবো-জর্গেনসেন এক বিবৃতিতে বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণ ও টেকসই পেনশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আমাদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি করতে হচ্ছে।”

ডেনমার্কের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে ভবিষ্যতের কর্মজীবী সমাজের জন্য একটি বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন বয়স্কদের দীর্ঘ সময় কাজ করার সক্ষমতা নিয়ে।

তবে সরকার বলছে, গড় আয়ু যেহেতু বাড়ছে, তাই কর্মক্ষম জীবনও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। আর সেই বাস্তবতায় সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই রাখতে এমন উদ্যোগ নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।