ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: পরমাণু অস্ত্র ব্যবস্থাপনায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • / 407

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারতের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পর পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সংস্থা ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির (এনসিএ) কোনো বৈঠক হয়নি এবং এমন কোনো বৈঠকের সময়সূচিও নেই বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।

শনিবার (১০ মে) পাকিস্তানি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এআরওয়াই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির কোনো বৈঠক ডাকা হয়নি। এ ধরনের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনাও নেই।”

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের ২০১৪ সালের সীমান্ত ফিরিয়ে আনার আশা ‘অবাস্তব’

তবে এর আগেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দাবি করেছিল, ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা শুরুর প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এনসিএ বৈঠক আহ্বান করেছেন।

এ প্রসঙ্গে দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, শনিবার সকালে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি পাকিস্তানের তিন বাহিনীর মধ্যে যৌথ কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সংস্থাটির প্রধান দায়িত্ব হলো দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

এনসিএ’র বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন বিষয়কমন্ত্রীও এই সংস্থার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন জয়েন্ট চীফ অব স্টাফ, তিন বাহিনীর প্রধান এবং স্ট্রাটেজিক প্ল্যানস ডিভিশনের (এসপিডি) মহাপরিচালক। এসপিডি পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্বে থাকা সংস্থা হিসেবে কাজ করে আসছে।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে এই ধরনের খবর ঘিরে আলোচনার ঝড় ওঠে দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এবারের মতো বিষয়টি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: পরমাণু অস্ত্র ব্যবস্থাপনায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

আপডেট সময় ০১:২৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

 

ভারতের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পর পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সংস্থা ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির (এনসিএ) কোনো বৈঠক হয়নি এবং এমন কোনো বৈঠকের সময়সূচিও নেই বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।

শনিবার (১০ মে) পাকিস্তানি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এআরওয়াই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির কোনো বৈঠক ডাকা হয়নি। এ ধরনের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনাও নেই।”

আরও পড়ুন  পাকিস্তান- আফগানিস্তান: সামরিক শক্তিতে কে এগিয়ে?

তবে এর আগেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী দাবি করেছিল, ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা শুরুর প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এনসিএ বৈঠক আহ্বান করেছেন।

এ প্রসঙ্গে দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, শনিবার সকালে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি পাকিস্তানের তিন বাহিনীর মধ্যে যৌথ কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সংস্থাটির প্রধান দায়িত্ব হলো দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

এনসিএ’র বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন বিষয়কমন্ত্রীও এই সংস্থার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন জয়েন্ট চীফ অব স্টাফ, তিন বাহিনীর প্রধান এবং স্ট্রাটেজিক প্ল্যানস ডিভিশনের (এসপিডি) মহাপরিচালক। এসপিডি পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্বে থাকা সংস্থা হিসেবে কাজ করে আসছে।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে এই ধরনের খবর ঘিরে আলোচনার ঝড় ওঠে দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এবারের মতো বিষয়টি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করা হলো।