০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু সিলেটে তিন বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০ ঢাকায় আংশিক মেঘলা ও কুয়াশার সম্ভাবনা অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ ঢাকায় সকাল কুয়াশা, দিনের বেলা শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস

ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত অন্তত ৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 75

ছবি সংগৃহীত

 

ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিওনের কাছাকাছি হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সময় রবিবার সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার পরপরই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে কিছু ভিডিও ফুটেজ। ফুটেজে দেখা যায়, তেল আবিবের উপকণ্ঠে বিমানবন্দরের পাশের একটি সড়কে গাড়িচালকেরা থেমে আশ্রয় নিচ্ছেন। হঠাৎ একটি বস্তু আছড়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। তবে এসব ফুটেজের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণে চারজন আহত হয়েছে এবং আরও দুজন আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের কারণে কিছু সময়ের জন্য বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হলেও পরে তা পুনরায় চালু করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানার পর ভূমিতে একটি বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়, যা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় সাধারণ মানুষের মাঝে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এ ঘটনাকে ‘গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি’ বলে উল্লেখ করে বলেন, “যারা আমাদের আঘাত করবে, তাদের সাতগুণ জবাব দেয়া হবে।” অন্যদিকে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, “ইসরায়েলের বিমানবন্দর আর নিরাপদ নয়।”

ইসরায়েলি বিমানবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিরোধে তারা ব্যর্থ হয়েছে কেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনি হুতি বিদ্রোহীরা নিয়মিতই হামাসের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আসছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো ইসরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কারণে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হয়।

তবে এবারকার হামলা অনেকটাই ভিন্ন মাত্রার। হুতিরা শুধু ইসরায়েল নয়, লোহিত সাগরেও বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাচ্ছে এবং যুক্তরাজ্যও এই অভিযানে যুক্ত রয়েছে।

সাম্প্রতিক এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত অন্তত ৬

আপডেট সময় ০৭:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিওনের কাছাকাছি হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সময় রবিবার সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার পরপরই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে কিছু ভিডিও ফুটেজ। ফুটেজে দেখা যায়, তেল আবিবের উপকণ্ঠে বিমানবন্দরের পাশের একটি সড়কে গাড়িচালকেরা থেমে আশ্রয় নিচ্ছেন। হঠাৎ একটি বস্তু আছড়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। তবে এসব ফুটেজের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণে চারজন আহত হয়েছে এবং আরও দুজন আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের কারণে কিছু সময়ের জন্য বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হলেও পরে তা পুনরায় চালু করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানার পর ভূমিতে একটি বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়, যা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় সাধারণ মানুষের মাঝে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এ ঘটনাকে ‘গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি’ বলে উল্লেখ করে বলেন, “যারা আমাদের আঘাত করবে, তাদের সাতগুণ জবাব দেয়া হবে।” অন্যদিকে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, “ইসরায়েলের বিমানবন্দর আর নিরাপদ নয়।”

ইসরায়েলি বিমানবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিরোধে তারা ব্যর্থ হয়েছে কেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনি হুতি বিদ্রোহীরা নিয়মিতই হামাসের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আসছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো ইসরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কারণে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হয়।

তবে এবারকার হামলা অনেকটাই ভিন্ন মাত্রার। হুতিরা শুধু ইসরায়েল নয়, লোহিত সাগরেও বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালাচ্ছে এবং যুক্তরাজ্যও এই অভিযানে যুক্ত রয়েছে।

সাম্প্রতিক এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।