ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজবাড়ীতে রেলব্রিজে ধাক্কা লেগে ট্রেনের ছাদে থাকা যুবকের মৃত্যু শাহেদ ধাঁচে নতুন ড্রোন: ব্যাপক উৎপাদনে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি আফগানিস্তানে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলা বিশ্বজুড়ে তিন দিন ঈদ: আজ, কাল ও পরশু কবে কোথায় জানুন

ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 312

ছবি: সংগৃহীত

মানুষের অবচেতন মনের এক বিচিত্র রহস্য হলো ঘুমের ঘোরে কথা বলা বা ‘স্লিপ টকিং’। কখনো অস্পষ্ট বিড়বিড়ানি, আবার কখনো পূর্ণ গলার চিৎকার—এই বিচিত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মূলত মস্তিষ্কের কিছু অংশ হুট করে জেগে উঠলে। মার্কিন গীতিকার ডিওন ম্যাকগ্রেগর ছিলেন এই অভ্যাসের এক অনন্য উদাহরণ, যার অদ্ভুত সব ঘুমের সংলাপ নিয়ে ১৯৬৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার হলেও ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। ইতালির সাপিয়েনজা ইউনিভার্সিটি অফ রোম-এর ঘুম গবেষক লুইজি ডি জেনারো জানান, জনসংখ্যার ৩ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত এই অভ্যাসের শিকার।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ডেইড্রে ব্যারেটের মতে, সাধারণত স্বপ্নহীন বা ‘নন আরইএম’ ঘুমের মধ্যেই মানুষ বেশি কথা বলে। ইইজি যন্ত্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের সময় মানুষের পুরো মস্তিষ্ক না জাগলেও ভাষার সঙ্গে জড়িত ছোট ছোট কিছু অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শরীরকে স্থির রাখার স্নায়বিক সংকেতে সাময়িক কোনো গোলযোগ হলেই মানুষ অবচেতনভাবে কথা বলে ওঠে। যদিও অনেকের ধারণা এটি মনের গোপন কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ?

আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

মানুষের অবচেতন মনের এক বিচিত্র রহস্য হলো ঘুমের ঘোরে কথা বলা বা ‘স্লিপ টকিং’। কখনো অস্পষ্ট বিড়বিড়ানি, আবার কখনো পূর্ণ গলার চিৎকার—এই বিচিত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মূলত মস্তিষ্কের কিছু অংশ হুট করে জেগে উঠলে। মার্কিন গীতিকার ডিওন ম্যাকগ্রেগর ছিলেন এই অভ্যাসের এক অনন্য উদাহরণ, যার অদ্ভুত সব ঘুমের সংলাপ নিয়ে ১৯৬৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার হলেও ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। ইতালির সাপিয়েনজা ইউনিভার্সিটি অফ রোম-এর ঘুম গবেষক লুইজি ডি জেনারো জানান, জনসংখ্যার ৩ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত এই অভ্যাসের শিকার।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ডেইড্রে ব্যারেটের মতে, সাধারণত স্বপ্নহীন বা ‘নন আরইএম’ ঘুমের মধ্যেই মানুষ বেশি কথা বলে। ইইজি যন্ত্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের সময় মানুষের পুরো মস্তিষ্ক না জাগলেও ভাষার সঙ্গে জড়িত ছোট ছোট কিছু অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শরীরকে স্থির রাখার স্নায়বিক সংকেতে সাময়িক কোনো গোলযোগ হলেই মানুষ অবচেতনভাবে কথা বলে ওঠে। যদিও অনেকের ধারণা এটি মনের গোপন কথা।