শীর্ষে দিল্লি, দ্বিতীয় লাহোর ঢাকা অবস্থান তৃতীয়
- আপডেট সময় ১২:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
- / 26
ওয়েব হেড
বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, দ্বিতীয় লাহোর ঢাকা অবস্থান তৃতীয়
বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, তৃতীয় স্থানে ঢাকা
চপরিবর্তনসহ নানা কারণে বিশ্বজুড়ে শহরগুলোতে বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরেই দূষিত বাতাসের সমস্যায় ভুগছে মেগাসিটি ঢাকা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় রাজধানী ঢাকার অবস্থান ছিল তৃতীয়।
সকাল সোয়া ১০টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ২৭৫। এ মাত্রার বায়ুমান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
একই সময়ে ৬০৫ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের একিউআই স্কোর ছিল ২৯৭। চতুর্থ অবস্থানে ভারতের কলকাতার স্কোর ২১২ এবং পঞ্চম স্থানে চীনের চেংদুর স্কোর ছিল ২১১।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার প্রতিমুহূর্তের বায়ুমানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তালিকা প্রকাশ করে। একিউআই সূচকের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকার বাতাস কতটা পরিষ্কার বা দূষিত এবং তা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, সে বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।
একিউআই স্কোর অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৫০ ভালো, ৫১ থেকে ১০০ সহনীয়, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি স্কোরকে দুর্যোগপূর্ণ ধরা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের জন্যই স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। তবে শিশু, প্রবীণ, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য এর ক্ষতি বেশি।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় পাঁচ ধরনের দূষণ উপাদানের ভিত্তিতে। এগুলো হলো—পিএম১০ ও পিএম২.৫ বস্তুকণা, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও২), কার্বন মনোক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও২) ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান তিন উৎস হলো ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট, ফুসফুস ক্যানসারসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।



















