ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নাইজার মরক্কোর সাথে সকল গোয়েন্দা সহযোগিতা স্থগিত করেছে নির্বাচন ঘোষিত সময়ের মধ্যেই হবে: মির্জা ফখরুল সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া সিরিয়ার ব্যাংক আবারও যুক্ত হলো আন্তর্জাতিক অর্থ-ব্যবস্থার সাথে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি: ভেনেজুয়েলা–যুক্তরাষ্ট্র সঙ্কট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে ফেড গভর্নর লিসা কুক ইউরোপের যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পে নেতৃত্ব চাই ফ্রান্সের একার হাতে ইরানের ওপর পুনরায় জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের উদ্যোগ দশমিনায় ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নির্বাচনী রোডম্যাপে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় পাস করেনি ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 48

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১টি। এক বছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪-এ, যা উদ্বেগজনক।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। একযোগে দেশের মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল প্রকাশ করে।

এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন। পরীক্ষাটি শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এই পরিসংখ্যানে বোঝা যায়, শিক্ষার মান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে, সেখানে শিক্ষাদান প্রক্রিয়া, শিক্ষক-সংকট, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির মান ও সার্বিক শিক্ষা পরিবেশ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এ ধরনের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যই অশনি সংকেত। নীতিনির্ধারকদের এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশের দিনই অনলাইনে মার্কশিটসহ রেজাল্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট কিংবা এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারে।

এ বছর যারা কৃতকার্য হয়নি, তাদের জন্য আগামী পরীক্ষাগুলোতে আরও প্রস্তুতির সুযোগ থাকলেও, যেসব প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ব্যর্থ, সেগুলোর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় পাস করেনি ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউই

আপডেট সময় ০৬:৩১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১টি। এক বছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪-এ, যা উদ্বেগজনক।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। একযোগে দেশের মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ফল প্রকাশ করে।

এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন। পরীক্ষাটি শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এই পরিসংখ্যানে বোঝা যায়, শিক্ষার মান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে, সেখানে শিক্ষাদান প্রক্রিয়া, শিক্ষক-সংকট, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির মান ও সার্বিক শিক্ষা পরিবেশ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এ ধরনের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যই অশনি সংকেত। নীতিনির্ধারকদের এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশের দিনই অনলাইনে মার্কশিটসহ রেজাল্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট কিংবা এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারে।

এ বছর যারা কৃতকার্য হয়নি, তাদের জন্য আগামী পরীক্ষাগুলোতে আরও প্রস্তুতির সুযোগ থাকলেও, যেসব প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ব্যর্থ, সেগুলোর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া এখন সময়ের দাবি।