০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
দুই বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেত্রী মিতু ‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান

মাদরাসা বোর্ডে হতাশাজনক ফল, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 149

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষাতেও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার হ্রাস পেয়েছে। এ বছর দাখিলে পাস করেছে ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী, যেখানে গত বছর এ হার ছিল ৭৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এ বছর সারাদেশে মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৬৬ জন শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ২০৬ জন। সেই হিসেবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও কমেছে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাসের হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারও ছাত্রীদের ফলাফল এগিয়ে। ছাত্রীদের মধ্যে পাসের হার ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পাসের হারে ছাত্রীদের এই আধিপত্য চলতি বছরেও বজায় থাকল। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে বেশি।

২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। ফলে এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৪৩ হাজারের বেশি।

ফলাফল বিশ্লেষণে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সিলেবাস পরিবর্তন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার কড়াকড়ি এবং কোচিং নির্ভরতা কমার মতো নানা কারণে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে থাকতে পারে। তবে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হলে এমন পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেকে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদরাসা বোর্ডে হতাশাজনক ফল, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষাতেও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার হ্রাস পেয়েছে। এ বছর দাখিলে পাস করেছে ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী, যেখানে গত বছর এ হার ছিল ৭৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এ বছর সারাদেশে মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৬৬ জন শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ২০৬ জন। সেই হিসেবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও কমেছে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাসের হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারও ছাত্রীদের ফলাফল এগিয়ে। ছাত্রীদের মধ্যে পাসের হার ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পাসের হারে ছাত্রীদের এই আধিপত্য চলতি বছরেও বজায় থাকল। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে বেশি।

২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। ফলে এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৪৩ হাজারের বেশি।

ফলাফল বিশ্লেষণে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সিলেবাস পরিবর্তন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার কড়াকড়ি এবং কোচিং নির্ভরতা কমার মতো নানা কারণে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে থাকতে পারে। তবে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হলে এমন পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেকে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।