ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজবাড়ীতে রেলব্রিজে ধাক্কা লেগে ট্রেনের ছাদে থাকা যুবকের মৃত্যু শাহেদ ধাঁচে নতুন ড্রোন: ব্যাপক উৎপাদনে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি আফগানিস্তানে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলা বিশ্বজুড়ে তিন দিন ঈদ: আজ, কাল ও পরশু কবে কোথায় জানুন

মাদরাসা বোর্ডে হতাশাজনক ফল, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 256

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষাতেও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার হ্রাস পেয়েছে। এ বছর দাখিলে পাস করেছে ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী, যেখানে গত বছর এ হার ছিল ৭৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন  এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩

এ বছর সারাদেশে মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৬৬ জন শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ২০৬ জন। সেই হিসেবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও কমেছে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাসের হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারও ছাত্রীদের ফলাফল এগিয়ে। ছাত্রীদের মধ্যে পাসের হার ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পাসের হারে ছাত্রীদের এই আধিপত্য চলতি বছরেও বজায় থাকল। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে বেশি।

২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। ফলে এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৪৩ হাজারের বেশি।

ফলাফল বিশ্লেষণে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সিলেবাস পরিবর্তন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার কড়াকড়ি এবং কোচিং নির্ভরতা কমার মতো নানা কারণে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে থাকতে পারে। তবে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হলে এমন পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেকে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদরাসা বোর্ডে হতাশাজনক ফল, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

 

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষাতেও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার হ্রাস পেয়েছে। এ বছর দাখিলে পাস করেছে ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী, যেখানে গত বছর এ হার ছিল ৭৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন  সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

এ বছর সারাদেশে মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৬৬ জন শিক্ষার্থী। অথচ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ২০৬ জন। সেই হিসেবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও কমেছে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের পাসের হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারও ছাত্রীদের ফলাফল এগিয়ে। ছাত্রীদের মধ্যে পাসের হার ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পাসের হারে ছাত্রীদের এই আধিপত্য চলতি বছরেও বজায় থাকল। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে বেশি।

২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। ফলে এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৪৩ হাজারের বেশি।

ফলাফল বিশ্লেষণে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সিলেবাস পরিবর্তন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার কড়াকড়ি এবং কোচিং নির্ভরতা কমার মতো নানা কারণে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে থাকতে পারে। তবে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হলে এমন পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেকে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।