ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিশ্রুতি দিয়েও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র হামলার, কথা রাখলেন না ট্রাম্প ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ৩০ যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরাকে ১৫ জন নিহত,আহত অন্তত ৩০ জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে একমত সংসদীয় কমিটি অপরাধ দমনে চালু হচ্ছে ‘হটলাইন’: প্রতিমন্ত্রী পুতুল দেশে জ্বালানি মজুত নিয়ে আশ্বাস, তবে সরবরাহে চাপ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে তেল-নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে: সতর্কবার্তা মির্জা ফখরুলের পাবনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গৃহবধূ নিহত, আহত ১০ আলটিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই ভোল পাল্টালেন ট্রাম্প

রসুনের ভালো ফলনেও লোকসানের শঙ্কায় খানসামার কৃষকরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 262

ছবি সংগৃহীত

 

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় রসুনের ভালো ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখার আশায় ভরসা পাচ্ছেন না কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর এতটাই কম যে লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, প্রতি কেজি রসুন ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হলেও সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে লাভ তো দূরের কথা, নিজেদের মূলধন ফেরত পেতেও বিপাকে পড়ছেন তারা।

আরও পড়ুন  শীর্ষে সৌদি আরব, রেকর্ড রেমিট্যান্সে চাঙা দেশের অর্থনীতি

দক্ষিণ আগ্রা এলাকার চাষিরা বলেন, রসুন মাঠ থেকে সংগ্রহের পরপরই ন্যূনতম দামে বিক্রি করতে হয়, অথচ পরে বাজারদর বাড়ে। এতে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হয়, কৃষকের ভাগ্যে জোটে হতাশা। কৃষকদের দাবি, রসুনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে এবং রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে কৃষকরা উৎপাদিত রসুন বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারের নির্ভরশীলতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে রসুন বিক্রি করা গেলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে রসুনের বাজারদর বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন, যেন তারা রসুন মজুত করে বাজারের চাহিদা ও দামের পরিস্থিতি বুঝে বিক্রি করেন। এছাড়া মজুতকৃত রসুন বীজ হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতের জন্য লাভজনক হতে পারে বলে জানান তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর দিনাজপুর জেলায় ৩ হাজার ৮৭৬ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ৪১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন রসুন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

চাষিরা এখন অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন বাজার কবে তাদের কষ্টের মূল্য দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রসুনের ভালো ফলনেও লোকসানের শঙ্কায় খানসামার কৃষকরা

আপডেট সময় ১২:৫৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

 

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় রসুনের ভালো ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত লাভের মুখ দেখার আশায় ভরসা পাচ্ছেন না কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর এতটাই কম যে লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, প্রতি কেজি রসুন ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হলেও সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে লাভ তো দূরের কথা, নিজেদের মূলধন ফেরত পেতেও বিপাকে পড়ছেন তারা।

আরও পড়ুন  সুতা আমদানিতে রেকর্ড মাইলফলক, সাত বছরের শীর্ষ রেকর্ড

দক্ষিণ আগ্রা এলাকার চাষিরা বলেন, রসুন মাঠ থেকে সংগ্রহের পরপরই ন্যূনতম দামে বিক্রি করতে হয়, অথচ পরে বাজারদর বাড়ে। এতে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হয়, কৃষকের ভাগ্যে জোটে হতাশা। কৃষকদের দাবি, রসুনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে এবং রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে কৃষকরা উৎপাদিত রসুন বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারের নির্ভরশীলতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে রসুন বিক্রি করা গেলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে রসুনের বাজারদর বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন, যেন তারা রসুন মজুত করে বাজারের চাহিদা ও দামের পরিস্থিতি বুঝে বিক্রি করেন। এছাড়া মজুতকৃত রসুন বীজ হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব, যা ভবিষ্যতের জন্য লাভজনক হতে পারে বলে জানান তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর দিনাজপুর জেলায় ৩ হাজার ৮৭৬ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে। এ থেকে প্রায় ৪১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন রসুন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

চাষিরা এখন অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন বাজার কবে তাদের কষ্টের মূল্য দেবে।