ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুললো ভারত যুক্তরাষ্ট্রের ধারণার চেয়ে শক্ত প্রতিরোধ দিচ্ছে ইরান দুপুর পর্যন্ত ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জামালপুরে ভাইয়ের আঘাতে ভাই নিহত আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে না : জ্বালানিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব পড়তে পারে রেমিট্যান্সে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার গ্যাস লিকের বিস্ফোরণ, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে আদালতে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তরুণ ব্যবসায়ীর

গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 22

ছবি সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  ওসমান হাদির মৃত্যুতে আজ

জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার তাদের বিধাননগর আদালত-এ হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর-এ পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট সময় ১২:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  ব্রিটেন পরিকল্পিতভাবে সামুদ্রিক দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়: দাবি রুশ গোয়েন্দা সংস্থার

জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার তাদের বিধাননগর আদালত-এ হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর-এ পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।