ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

স্থলবন্দরে রয়েছে নিরাপত্তায় ঘাটতি, আছে চোরাচালানের অভিযোগ: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 141

ছবি: সংগৃহীত

 

দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত হলেও স্থলবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নানাবিধ দুর্বলতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন ও শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, সীমিত সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মীর পাশাপাশি বন্দরে কর্মরত কিছু নিরাপত্তাকর্মীর চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে।

সোমবার সকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  ভারতের স্থলবন্দরে ৯ প্রকার বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি

তিনি আরও বলেন, অতীতে দেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং সক্ষমতার অভাবের কারণে যথাযথ সমীক্ষা ও পরিকল্পনা ছাড়াই অনেক স্থলবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে নানা সমস্যার জন্ম দিচ্ছে। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোরালো ঘাটতি রয়ে গেছে।

জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এবং বন্দরগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, স্থলবন্দরগুলো শুধু পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং দেশের সার্বিক নিরাপত্তার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই কারণে এসব স্থানে পর্যাপ্ত ও দক্ষ নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করা এবং নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে উন্নত পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের স্থলবন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল এবং নিরাপদ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু আইনশৃঙ্খলা নয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সকল পক্ষকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে নিরাপত্তার দুর্বলতা দূর করা সম্ভব হয় এবং স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হয়ে ওঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থলবন্দরে রয়েছে নিরাপত্তায় ঘাটতি, আছে চোরাচালানের অভিযোগ: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত হলেও স্থলবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নানাবিধ দুর্বলতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন ও শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, সীমিত সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মীর পাশাপাশি বন্দরে কর্মরত কিছু নিরাপত্তাকর্মীর চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে।

সোমবার সকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  আইএমও সদরদফতরে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হলো বাংলাদেশি জাহাজের মডেল

তিনি আরও বলেন, অতীতে দেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং সক্ষমতার অভাবের কারণে যথাযথ সমীক্ষা ও পরিকল্পনা ছাড়াই অনেক স্থলবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে নানা সমস্যার জন্ম দিচ্ছে। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোরালো ঘাটতি রয়ে গেছে।

জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এবং বন্দরগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, স্থলবন্দরগুলো শুধু পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং দেশের সার্বিক নিরাপত্তার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই কারণে এসব স্থানে পর্যাপ্ত ও দক্ষ নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করা এবং নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে উন্নত পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের স্থলবন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল এবং নিরাপদ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু আইনশৃঙ্খলা নয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সকল পক্ষকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে নিরাপত্তার দুর্বলতা দূর করা সম্ভব হয় এবং স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হয়ে ওঠে।