ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

এনআইডি তথ্য ফাঁস: সাবেক সচিব গ্রেপ্তার, ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 154

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য ফাঁস ও বিক্রির অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়েছে। এই মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে ঢাকার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিরা এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেস লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক অনুমতি প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও প্রায় ১৮২টি প্রতিষ্ঠানকে এনআইডির তথ্য বিক্রি করেছে। এই তথ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে এ অঞ্চলের জন্য একটি আদর্শ মডেল হতে পারে: মাহফুজ আলম

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসামিরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জাতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি চালিয়েছেন। তারা দেশের নাগরিকদের গোপন তথ্যগুলো অবৈধভাবে বিক্রি করেছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে চলমান শঙ্কা ও উদ্বেগের মধ্যে এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে যে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের অপরাধ ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব এবং অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে, এবং তদন্ত শেষ হলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এনআইডি তথ্য ফাঁস: সাবেক সচিব গ্রেপ্তার, ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ!

আপডেট সময় ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য ফাঁস ও বিক্রির অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়েছে। এই মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে ঢাকার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিরা এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেস লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক অনুমতি প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও প্রায় ১৮২টি প্রতিষ্ঠানকে এনআইডির তথ্য বিক্রি করেছে। এই তথ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন  ইলিশ বিক্রির নাম করে অনলাইনে প্রতারণা, ৭০ সিমসহ গ্রেপ্তার ৮

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসামিরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জাতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি চালিয়েছেন। তারা দেশের নাগরিকদের গোপন তথ্যগুলো অবৈধভাবে বিক্রি করেছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে চলমান শঙ্কা ও উদ্বেগের মধ্যে এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে যে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের অপরাধ ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব এবং অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে, এবং তদন্ত শেষ হলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।