০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 67

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।