ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় এ আর রহমানকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দিল্লি হাই কোর্টের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 139

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণী সিনেমা ‘পন্নিইন সেলভান ২’-এর জনপ্রিয় গান ‘বীরা রাজা বীরা’কে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এই গানটিকে চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, আর তাতে কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় জড়িয়েছেন বিখ্যাত সুরকার এ আর রহমান।

অভিযোগ অনুযায়ী, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি বিখ্যাত ধ্রুপদ শিল্পী নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগার এবং তার ভাই জাহিরুদ্দিন দাগারের সৃষ্ট ‘শিবা স্তুতি’ থেকে অনুপ্রাণিত নয়, বরং সরাসরি চুরি করা হয়েছে। এই অভিযোগ এনেছেন নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগারের পুত্র, প্রখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এবং পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত ফৈয়াজ ওয়াসিফুদ্দিন দাগার।

আরও পড়ুন  দিল্লির হোটেলে ব্রিটিশ নারীর ধর্ষণ: আন্তর্জাতিক প্রতিবাদের ঝড়

এই মামলার প্রেক্ষিতে দিল্লি হাই কোর্ট এক রায় দিয়েছে, যেখানে এ আর রহমান এবং গানটির প্রযোজক প্রতিষ্ঠান মাদ্রাস টকিজকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি প্রতিভা এম সিং রায়ে উল্লেখ করেন, যদিও ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি ‘শিবা স্তুতি’র হুবহু অনুলিপি নয়, তবুও শ্রবণে দুইটি গান অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, এ আর রহমান দাবি করেছেন, ‘শিবা স্তুতি’ একটি ঐতিহ্যবাহী ধ্রুপদ রচনার উপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং এটি কোনো ব্যক্তির একক মালিকানাধীন নয়। তিনি আরও বলেন, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি সম্পূর্ণ মৌলিক, যেখানে ধ্রুপদের পাশাপাশি পাশ্চাত্য সংগীতের উপাদানও সংযোজন করা হয়েছে। গানটিতে মোট ২২৭টি সংগীত স্তরের ব্যবহার রয়েছে।

তবে এই যুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়নি। আদালত মনে করে, গানটির সংগীত কাঠামো ও সুরের মিল এতটাই স্পষ্ট যে এটি কপিরাইট লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।

এই রায়ের ফলে, কপিরাইট আইন সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যেখানে প্রাচীন সংগীত ও আধুনিক কম্পোজিশনের সীমারেখা নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় এ আর রহমানকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দিল্লি হাই কোর্টের

আপডেট সময় ০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

 

দক্ষিণী সিনেমা ‘পন্নিইন সেলভান ২’-এর জনপ্রিয় গান ‘বীরা রাজা বীরা’কে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এই গানটিকে চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, আর তাতে কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় জড়িয়েছেন বিখ্যাত সুরকার এ আর রহমান।

অভিযোগ অনুযায়ী, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি বিখ্যাত ধ্রুপদ শিল্পী নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগার এবং তার ভাই জাহিরুদ্দিন দাগারের সৃষ্ট ‘শিবা স্তুতি’ থেকে অনুপ্রাণিত নয়, বরং সরাসরি চুরি করা হয়েছে। এই অভিযোগ এনেছেন নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগারের পুত্র, প্রখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এবং পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত ফৈয়াজ ওয়াসিফুদ্দিন দাগার।

আরও পড়ুন  দিল্লিতে তীব্র তাপপ্রবাহের কারনে রেড অ্যালার্ট জারি

এই মামলার প্রেক্ষিতে দিল্লি হাই কোর্ট এক রায় দিয়েছে, যেখানে এ আর রহমান এবং গানটির প্রযোজক প্রতিষ্ঠান মাদ্রাস টকিজকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি প্রতিভা এম সিং রায়ে উল্লেখ করেন, যদিও ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি ‘শিবা স্তুতি’র হুবহু অনুলিপি নয়, তবুও শ্রবণে দুইটি গান অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, এ আর রহমান দাবি করেছেন, ‘শিবা স্তুতি’ একটি ঐতিহ্যবাহী ধ্রুপদ রচনার উপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং এটি কোনো ব্যক্তির একক মালিকানাধীন নয়। তিনি আরও বলেন, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি সম্পূর্ণ মৌলিক, যেখানে ধ্রুপদের পাশাপাশি পাশ্চাত্য সংগীতের উপাদানও সংযোজন করা হয়েছে। গানটিতে মোট ২২৭টি সংগীত স্তরের ব্যবহার রয়েছে।

তবে এই যুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়নি। আদালত মনে করে, গানটির সংগীত কাঠামো ও সুরের মিল এতটাই স্পষ্ট যে এটি কপিরাইট লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।

এই রায়ের ফলে, কপিরাইট আইন সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যেখানে প্রাচীন সংগীত ও আধুনিক কম্পোজিশনের সীমারেখা নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।