ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

শ্রমিক দল কমিটি ঘিরে মাদারীপুরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরো ৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 179

ছবি সংগৃহীত

 

মাদারীপুরে শ্রমিক দলের পৌর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুনশির (৩৩)। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন।

নিহত শাকিল মাদারীপুর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকার মোফাজ্জেল মুনশির ছেলে।

আরও পড়ুন  রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর সীমান্তে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি মাদারীপুর পৌর শ্রমিক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে জেলা কমিটি। এতে লিটন হাওলাদারকে সভাপতি করা হলে বিষয়টি নিয়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লিটনকে আওয়ামীপন্থী অভিযোগ এনে কমিটি বাতিলের দাবি তোলেন।

রোববার দুপুরে কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের একটি সড়কে বিক্ষোভ করেন শাকিলপন্থী নেতাকর্মীরা। রাতের দিকে শাকিল তার অনুসারীদের নিয়ে বিসিক শিল্পনগরীতে এক বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নতুন মাদারীপুর এলাকায় লিটন হাওলাদারের ভাতিজা আল আমিনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল শাকিলের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শাকিল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

শাকিলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আরও দুইজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। ঘটনার পরপরই শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। লিটন ও শাকিলপন্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হন আরও অন্তত তিনজন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

শাকিলের ভাই রনজু মুনশি অভিযোগ করে বলেন, “লিটনের বিতর্কিত নেতৃত্বের প্রতিবাদ করেছিল শাকিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লিটন ও তার ভাতিজা আল আমিন পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে খুন করেছে। আমরা বিচার চাই, ফাঁসি চাই।”

ঘটনার পর থেকে লিটন ও আল আমিন পলাতক। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রমিক দল কমিটি ঘিরে মাদারীপুরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরো ৫

আপডেট সময় ১০:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

মাদারীপুরে শ্রমিক দলের পৌর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুনশির (৩৩)। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন।

নিহত শাকিল মাদারীপুর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকার মোফাজ্জেল মুনশির ছেলে।

আরও পড়ুন  ত্রিপোলিতে সামরিক সংঘর্ষের আশঙ্কা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি মাদারীপুর পৌর শ্রমিক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে জেলা কমিটি। এতে লিটন হাওলাদারকে সভাপতি করা হলে বিষয়টি নিয়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লিটনকে আওয়ামীপন্থী অভিযোগ এনে কমিটি বাতিলের দাবি তোলেন।

রোববার দুপুরে কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের একটি সড়কে বিক্ষোভ করেন শাকিলপন্থী নেতাকর্মীরা। রাতের দিকে শাকিল তার অনুসারীদের নিয়ে বিসিক শিল্পনগরীতে এক বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নতুন মাদারীপুর এলাকায় লিটন হাওলাদারের ভাতিজা আল আমিনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল শাকিলের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শাকিল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

শাকিলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আরও দুইজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। ঘটনার পরপরই শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। লিটন ও শাকিলপন্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হন আরও অন্তত তিনজন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

শাকিলের ভাই রনজু মুনশি অভিযোগ করে বলেন, “লিটনের বিতর্কিত নেতৃত্বের প্রতিবাদ করেছিল শাকিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লিটন ও তার ভাতিজা আল আমিন পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে খুন করেছে। আমরা বিচার চাই, ফাঁসি চাই।”

ঘটনার পর থেকে লিটন ও আল আমিন পলাতক। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।”