ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সামোয়া: পলিনেশিয়ার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলন সমৃদ্ধ খাদ্য ভান্ডার গড়ার প্রত্যয়: ‘কৃষক’ পরিচয়ে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল: সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে ফাতেমা জুমার ক্ষোভ ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঢাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত অর্থনীতি সংস্কারে বড় পরিকল্পনা: শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের আরেক দেশ মোটরসাইকেলে এসে গ্রামবাসীকে ব্রাশফায়ার, নিহত ৫০ ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল: সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে ফাতেমা জুমার ক্ষোভ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 18

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) অভ্যন্তরে বড় ধরনের সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে ডাকসুর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অন্য সদস্যরা। বিশেষ করে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যান ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ এবং এজিএস মহিউদ্দিন খান। তবে অভিযোগ উঠেছে, এই আয়োজনে ডাকসুর বাকি সম্পাদক ও সদস্যদের জানানো হয়নি। সর্বমিত্র চাকমা ফেসবুকে বিদ্রূপ করে জানান, তিনি বিটিভি লাইভ দেখে জানতে পেরেছেন যে ডাকসু শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেছে।

জুমার অভিযোগ: ‘সিলেক্টিভ পাস’ ও সমন্বয়হীনতা
ফাতিমা তাসনিম জুমা তাঁর অভিযোগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:
তথ্যের গোপনীয়তা: শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁকে বলা হয়েছিল শুধু সিনেট সদস্যরা রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে যাবেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের তৃণমূল কর্মীরা সেখানে উপস্থিত থাকলেও ডাকসুর বাকি সদস্যদের জায়গা হয়নি।
প্রভাতের ফেরিতে অবহেলা: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাতফেরির চিঠি কেবল ভিপি, জিএস ও এজিএসের কাছে এলেও তাঁরা সেটি গ্রুপে শেয়ার করেননি। জুমা নিজে উদ্যোগী হয়ে খোঁজ নিয়ে বাকিদের জানিয়েছেন।
দায়িত্বে গাফিলতি: জুমার মতে, ভিপি-জিএস-এজিএস বিষয়গুলো আলোচনা করলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “আপনারা ডাকসুর নাম না নিয়ে ‘সিনেট সদস্যবৃন্দ’ ব্যানারে গেলেও বাকিদের দোষ খুঁজতো না।”

আরও পড়ুন  ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: পদ হারালেন বরগুনা জেলা জামায়াত নেতা শামীম

জুমা মনে করেন, ডাকসু শিক্ষার্থীদের আমানত এবং সম্পাদক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। তবে শীর্ষ তিন নেতা (ভিপি, জিএস, এজিএস) বিষয়গুলো কঠিন করে তুলছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসনিক চাপের মুখে ডাকসু প্রতিনিধিদেরই যখন একাত্মতা থাকার কথা, তখন শীর্ষ নেতৃত্বের এমন আচরণ অন্যদের জন্য পথ কঠিন করে দিচ্ছে।
এই ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডাকসুর কার্যকারিতা ও ঐক্য নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল: সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে ফাতেমা জুমার ক্ষোভ

আপডেট সময় ০৪:৪৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) অভ্যন্তরে বড় ধরনের সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে ডাকসুর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অন্য সদস্যরা। বিশেষ করে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যান ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ এবং এজিএস মহিউদ্দিন খান। তবে অভিযোগ উঠেছে, এই আয়োজনে ডাকসুর বাকি সম্পাদক ও সদস্যদের জানানো হয়নি। সর্বমিত্র চাকমা ফেসবুকে বিদ্রূপ করে জানান, তিনি বিটিভি লাইভ দেখে জানতে পেরেছেন যে ডাকসু শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেছে।

জুমার অভিযোগ: ‘সিলেক্টিভ পাস’ ও সমন্বয়হীনতা
ফাতিমা তাসনিম জুমা তাঁর অভিযোগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:
তথ্যের গোপনীয়তা: শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁকে বলা হয়েছিল শুধু সিনেট সদস্যরা রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে যাবেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের তৃণমূল কর্মীরা সেখানে উপস্থিত থাকলেও ডাকসুর বাকি সদস্যদের জায়গা হয়নি।
প্রভাতের ফেরিতে অবহেলা: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাতফেরির চিঠি কেবল ভিপি, জিএস ও এজিএসের কাছে এলেও তাঁরা সেটি গ্রুপে শেয়ার করেননি। জুমা নিজে উদ্যোগী হয়ে খোঁজ নিয়ে বাকিদের জানিয়েছেন।
দায়িত্বে গাফিলতি: জুমার মতে, ভিপি-জিএস-এজিএস বিষয়গুলো আলোচনা করলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “আপনারা ডাকসুর নাম না নিয়ে ‘সিনেট সদস্যবৃন্দ’ ব্যানারে গেলেও বাকিদের দোষ খুঁজতো না।”

আরও পড়ুন  ৩৩ বছর বয়সে প্রথম ভোট দিলাম এবং নিজেই প্রার্থী: নুর

জুমা মনে করেন, ডাকসু শিক্ষার্থীদের আমানত এবং সম্পাদক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। তবে শীর্ষ তিন নেতা (ভিপি, জিএস, এজিএস) বিষয়গুলো কঠিন করে তুলছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসনিক চাপের মুখে ডাকসু প্রতিনিধিদেরই যখন একাত্মতা থাকার কথা, তখন শীর্ষ নেতৃত্বের এমন আচরণ অন্যদের জন্য পথ কঠিন করে দিচ্ছে।
এই ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডাকসুর কার্যকারিতা ও ঐক্য নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।