ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সামোয়া: পলিনেশিয়ার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলন সমৃদ্ধ খাদ্য ভান্ডার গড়ার প্রত্যয়: ‘কৃষক’ পরিচয়ে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল: সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে ফাতেমা জুমার ক্ষোভ ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঢাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত অর্থনীতি সংস্কারে বড় পরিকল্পনা: শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের আরেক দেশ মোটরসাইকেলে এসে গ্রামবাসীকে ব্রাশফায়ার, নিহত ৫০ ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 20

ছবি: সংগৃহীত

পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর–এর অভিযানে বাধা এবং ব্যবসায়ী নেতার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা গ্রহণ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আপনি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা হন বা মোগল সম্রাট আকবর, মেমো বা রশিদ আপনাকে রাখতেই হবে। তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি।”

পোস্টে মাহবুব কবির মিলন উল্লেখ করেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির বাধার মুখে পড়েন। এ ঘটনায় মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানা গড়িমসি করছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে র্যাবের মাদক বিরোধী অভিযানে ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি আটক

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে মামলা দায়েরের জন্য অফিসিয়াল চিঠি পাঠানোর পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে মেমো বা রশিদ রাখা বাধ্যতামূলক। রশিদ না রাখা নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তিনি আরও দাবি করেন, রশিদ না রাখা ও ছোলার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হলে সমিতির সভাপতি তাতে বাধা দেন। ভবিষ্যতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা না করার জন্য কর্মকর্তাকে সতর্কও করা হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

মাহবুব কবির মিলন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দ্রুত যৌথ বাহিনী নিয়ে মৌলভীবাজারে অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি মামলা গ্রহণের অনুরোধ করেন। অন্যথায় জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

আপডেট সময় ০৪:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর–এর অভিযানে বাধা এবং ব্যবসায়ী নেতার বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা গ্রহণ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আপনি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা হন বা মোগল সম্রাট আকবর, মেমো বা রশিদ আপনাকে রাখতেই হবে। তাদের কপাল ভালো আমার হাতে পড়েনি।”

পোস্টে মাহবুব কবির মিলন উল্লেখ করেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির বাধার মুখে পড়েন। এ ঘটনায় মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানা গড়িমসি করছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  নাইজেরিয়ায় কুখ্যাত সন্ত্রাসী তুরজির ঘাঁটিতে প্রতিরক্ষা অভিযান, নিহত শতাধিক

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে মামলা দায়েরের জন্য অফিসিয়াল চিঠি পাঠানোর পর ২৪ ঘণ্টা পার হলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে মেমো বা রশিদ রাখা বাধ্যতামূলক। রশিদ না রাখা নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তিনি আরও দাবি করেন, রশিদ না রাখা ও ছোলার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হলে সমিতির সভাপতি তাতে বাধা দেন। ভবিষ্যতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা না করার জন্য কর্মকর্তাকে সতর্কও করা হয় বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

মাহবুব কবির মিলন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দ্রুত যৌথ বাহিনী নিয়ে মৌলভীবাজারে অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি মামলা গ্রহণের অনুরোধ করেন। অন্যথায় জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।