কর্ণফুলীতে জামায়াতের হামলায় বিএনপির ৮ কর্মী আহত
- আপডেট সময় ১১:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 13
কর্ণফুলীর বড়উঠানে জামায়াতে ইসলামীর যুব সংগঠনের সশস্ত্র হামলায় যুবদল ও ছাত্রদলের আটজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তারাবির নামাজের পর উপজেলার বড়উঠান ফজিল খার হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মনজুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমন, যুবদল নেতা মো. ফারুক, মানিক, ছাত্রদল নেতা মো. রিয়াদ, মো. রাকিবসহ আরও একজন।
ঘটনার পর ফজিল খার হাট বাজারস্থ পিএবি সড়কে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের শতাধিক নেতা-কর্মী প্রতিবাদ মিছিল বের করেন।
পরে কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসপি) ও পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দৌলতপুর দীঘির পাড় ৩ নম্বর ওয়ার্ড ভোটকেন্দ্রে এক হিন্দু ভোটারকে মারধর করেন জামায়াতের এক কর্মী। এ বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে তারাবির নামাজের পর স্থানীয় জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারি মো. আলমগীরের নেতৃত্বে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে আটজনের বেশি নেতা-কর্মী আহত হন। আহতদের পাশ্ববর্তী আনোয়ারা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে হিন্দুপাড়ায় সর্বোচ্চ ভোট পড়ায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা বিশৃঙ্খলা করেন। এ ঘটনার রেশ ধরে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের সামনেই জামায়াতের কর্মীরা আমাদের কর্মীদের ওপর রামদা, কিরিচ ও লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে।’ তিনি এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি করেন।
কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসপি) মো. জামাল উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জড়িত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’























