ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদের আনন্দে বিষাদের ছায়া: সড়ক ও নদে প্রাণ গেল ২২ জনের যুদ্ধের ধাক্কায় এয়ারলাইন্স খাতে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: বিপুল অস্ত্রসহ বনদস্যুর ২ সদস্য আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 162

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনের শিবসা নদী সংলগ্ন আদাছগী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বনদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন (মোংলা) সদর দপ্তরের কর্মকর্তা কমান্ডার সঞ্জীব কুমার দে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. সাদ্দাম খান (২০) ও আব্বাস মোল্লা (৪০)। উভয়ের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে মাদক ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান: ৪৮ জন গ্রেপ্তার

অভিযানের সময় করিম শরীফ বাহিনীর আস্তানা থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা জব্দ করে ২টি একনলা বন্দুক, ১টি শর্টগান, ১টি খেলনা বন্দুক, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদি, ২৩ রাউন্ড তাজা গুলি, ২০৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৯টি দেশীয় অস্ত্র, ৪টি কুড়াল, ৭টি করাত, ১০টি রড, ৫টি হাতুড়ি, ১টি সোলার ইউনিট, ২৮টি মোবাইল ফোন, ১১টি ওয়াকিটকি চার্জার ও ২টি কাঠের নৌকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে করিম শরীফ বাহিনীর হয়ে ডাকাতি এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের কাজে লিপ্ত ছিল।

কমান্ডার সঞ্জীব কুমার দে বলেন, “কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক সাড়াঁশি অভিযানের ফলে সুন্দরবন অঞ্চল এখন ক্রমেই দস্যুমুক্ত হয়ে উঠছে। উপকূলীয় এলাকার জেলে ও মাছ শিকারিরা বর্তমানে নিরাপদে তাদের পেশা পরিচালনা করতে পারছেন।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টা টহল ও নিয়মিত বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে কোস্টগার্ড। যার ফলে এসব এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণভাবে দস্যুমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এই অভিযানে কোস্টগার্ডের সাফল্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্বের একটি শক্তিশালী দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: বিপুল অস্ত্রসহ বনদস্যুর ২ সদস্য আটক

আপডেট সময় ০৪:১১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

সুন্দরবনের শিবসা নদী সংলগ্ন আদাছগী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বনদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন (মোংলা) সদর দপ্তরের কর্মকর্তা কমান্ডার সঞ্জীব কুমার দে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. সাদ্দাম খান (২০) ও আব্বাস মোল্লা (৪০)। উভয়ের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে ১৩ বাংলাদেশিসহ ১৫ জন আটক

অভিযানের সময় করিম শরীফ বাহিনীর আস্তানা থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা জব্দ করে ২টি একনলা বন্দুক, ১টি শর্টগান, ১টি খেলনা বন্দুক, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদি, ২৩ রাউন্ড তাজা গুলি, ২০৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৯টি দেশীয় অস্ত্র, ৪টি কুড়াল, ৭টি করাত, ১০টি রড, ৫টি হাতুড়ি, ১টি সোলার ইউনিট, ২৮টি মোবাইল ফোন, ১১টি ওয়াকিটকি চার্জার ও ২টি কাঠের নৌকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে করিম শরীফ বাহিনীর হয়ে ডাকাতি এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের কাজে লিপ্ত ছিল।

কমান্ডার সঞ্জীব কুমার দে বলেন, “কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক সাড়াঁশি অভিযানের ফলে সুন্দরবন অঞ্চল এখন ক্রমেই দস্যুমুক্ত হয়ে উঠছে। উপকূলীয় এলাকার জেলে ও মাছ শিকারিরা বর্তমানে নিরাপদে তাদের পেশা পরিচালনা করতে পারছেন।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টা টহল ও নিয়মিত বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে কোস্টগার্ড। যার ফলে এসব এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণভাবে দস্যুমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এই অভিযানে কোস্টগার্ডের সাফল্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্বের একটি শক্তিশালী দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।