০৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 137

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো বার্তায় বলেছেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উপলক্ষে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে, ভারতীয় জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ বহুমাত্রিক রূপ নিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা যেমন বাণিজ্য, যোগাযোগ, শিক্ষা, জ্বালানি, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে।”

এদিকে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পাঠানো পৃথক বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দিবসের এই গর্বিত মুহূর্তে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই দিনটি আমাদের যৌথ ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের সম্পর্ককে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে এবং তা আজ বহু খাতে প্রসারিত হয়েছে।”

মোদি আরও উল্লেখ করেন, “ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব আজ বাস্তব উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।”

স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী ভারতের এ ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দু’দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান

আপডেট সময় ০৪:১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

 

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো বার্তায় বলেছেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উপলক্ষে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে, ভারতীয় জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ বহুমাত্রিক রূপ নিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা যেমন বাণিজ্য, যোগাযোগ, শিক্ষা, জ্বালানি, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে।”

এদিকে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পাঠানো পৃথক বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বাংলাদেশের জাতীয় দিবসের এই গর্বিত মুহূর্তে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই দিনটি আমাদের যৌথ ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের সম্পর্ককে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে এবং তা আজ বহু খাতে প্রসারিত হয়েছে।”

মোদি আরও উল্লেখ করেন, “ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব আজ বাস্তব উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।”

স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী ভারতের এ ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দু’দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।