০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

ঈদযাত্রা শুরু, ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিনা টিকিটে ভ্রমণে জিরো সহনশীলতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 107

ছবি সংগৃহীত

 

 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের মানুষের বাড়ি ফেরা শুরু হয়েছে আজ সোমবার (২৪ মার্চ) ভোর থেকে। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ছাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ঈদযাত্রা।

বিজ্ঞাপন

ঈদকে ঘিরে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলবে বিশেষ ট্রেন, থাকবে অতিরিক্ত কোচ সব মিলিয়ে এবারের যাত্রাকে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন প্রস্তুতি।

আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয় ১৪ মার্চ থেকে এবং শেষ হয় ২০ মার্চ। যারা আজ যাত্রা করছেন, তারা এরই মধ্যে সেই আগাম টিকিট সংগ্রহ করেছেন। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার বিনা টিকিটে কেউ ট্রেনে উঠতে পারবে না। আগে যেখানে কিছুটা নমনীয়তা দেখানো হতো, এবার সেখানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে চলবে রেল কর্তৃপক্ষ। বিনা টিকিটে পাওয়া গেলে গুনতে হবে বড় অঙ্কের জরিমানা এবং প্রয়োজনে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।

নিরাপত্তার দিকেও রয়েছে বাড়তি নজরদারি। কমলাপুর, বিমানবন্দর, জয়দেবপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রধান স্টেশনে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র‍্যাব ও রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলন্ত ট্রেনেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলন্ত ট্রেন বা রেলপথে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কাজ করছে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা। সঙ্গে রয়েছে র‍্যাব, বিজিবি ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত টহল। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা হুমকি কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অনুরোধ করেছে কেউ যেন বিনা টিকিটে যাত্রা না করে এবং যেকোনো সন্দেহজনক আচরণ বা ব্যক্তি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানায়। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সম্মিলিত এই উদ্যোগেই ভরসা রাখছেন ঘরমুখো মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রা শুরু, ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিনা টিকিটে ভ্রমণে জিরো সহনশীলতা

আপডেট সময় ০৪:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের মানুষের বাড়ি ফেরা শুরু হয়েছে আজ সোমবার (২৪ মার্চ) ভোর থেকে। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ছাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ঈদযাত্রা।

বিজ্ঞাপন

ঈদকে ঘিরে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলবে বিশেষ ট্রেন, থাকবে অতিরিক্ত কোচ সব মিলিয়ে এবারের যাত্রাকে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন প্রস্তুতি।

আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয় ১৪ মার্চ থেকে এবং শেষ হয় ২০ মার্চ। যারা আজ যাত্রা করছেন, তারা এরই মধ্যে সেই আগাম টিকিট সংগ্রহ করেছেন। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার বিনা টিকিটে কেউ ট্রেনে উঠতে পারবে না। আগে যেখানে কিছুটা নমনীয়তা দেখানো হতো, এবার সেখানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে চলবে রেল কর্তৃপক্ষ। বিনা টিকিটে পাওয়া গেলে গুনতে হবে বড় অঙ্কের জরিমানা এবং প্রয়োজনে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।

নিরাপত্তার দিকেও রয়েছে বাড়তি নজরদারি। কমলাপুর, বিমানবন্দর, জয়দেবপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রধান স্টেশনে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র‍্যাব ও রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলন্ত ট্রেনেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলন্ত ট্রেন বা রেলপথে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কাজ করছে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা। সঙ্গে রয়েছে র‍্যাব, বিজিবি ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত টহল। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা হুমকি কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অনুরোধ করেছে কেউ যেন বিনা টিকিটে যাত্রা না করে এবং যেকোনো সন্দেহজনক আচরণ বা ব্যক্তি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানায়। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সম্মিলিত এই উদ্যোগেই ভরসা রাখছেন ঘরমুখো মানুষ।