ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট, গ্রেপ্তারের পর নেওয়া হলো হেফাজতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 140

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিচারের জন্য নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আইসিসি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে দুতের্তেকে একটি বিমানে তোলা হয়। এদিকে, তার মেয়ে ভেরোনিকা ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানান, “আমার বাবার স্বাস্থ্যগত অবস্থার কথা না ভেবে তাকে জোর করে বিমানে তোলা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  জামিননামা ছাড়াই কারাগার থেকে মুক্ত হত্যা মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার

রদ্রিগো দুতের্তের আরেক মেয়ে, ফিলিপাইনের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তে বলেন, “এই মুহূর্তে, আমার বাবাকে জোরপূর্বক হেগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা কোনো ন্যায়বিচার নয়; এটি অত্যাচার এবং নিপীড়ন।”

৭৯ বছর বয়সী দুতের্তে মঙ্গলবার গভীর রাতে হংকং থেকে ফিলিপাইনে ফিরে আসেন। তখন রাজধানী ম্যানিলার প্রধান বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

রদ্রিগো দুতের্তে দীর্ঘ ছয় বছর ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং এর আগে দাবাও শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর যুদ্ধ ঘোষণা করেন, যার ফলে পুলিশের নথিতে ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। তবে, দুতের্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এই গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আদালতে তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ, যা তার শাসনামলে মাদকবিরোধী অভিযানের অতি সহিংস পন্থার কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে করা হয়েছে। তার শাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার পর, এই মামলা আন্তর্জাতিক স্তরে ন্যায়বিচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট, গ্রেপ্তারের পর নেওয়া হলো হেফাজতে

আপডেট সময় ০১:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিচারের জন্য নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আইসিসি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে দুতের্তেকে একটি বিমানে তোলা হয়। এদিকে, তার মেয়ে ভেরোনিকা ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানান, “আমার বাবার স্বাস্থ্যগত অবস্থার কথা না ভেবে তাকে জোর করে বিমানে তোলা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরকে গ্রেপ্তার করা হলে বিষয়টি ‘দারুণ’ হবে: মন্তব্য ট্রাম্পের

রদ্রিগো দুতের্তের আরেক মেয়ে, ফিলিপাইনের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতের্তে বলেন, “এই মুহূর্তে, আমার বাবাকে জোরপূর্বক হেগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা কোনো ন্যায়বিচার নয়; এটি অত্যাচার এবং নিপীড়ন।”

৭৯ বছর বয়সী দুতের্তে মঙ্গলবার গভীর রাতে হংকং থেকে ফিলিপাইনে ফিরে আসেন। তখন রাজধানী ম্যানিলার প্রধান বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

রদ্রিগো দুতের্তে দীর্ঘ ছয় বছর ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং এর আগে দাবাও শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর যুদ্ধ ঘোষণা করেন, যার ফলে পুলিশের নথিতে ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। তবে, দুতের্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এই গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আদালতে তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ, যা তার শাসনামলে মাদকবিরোধী অভিযানের অতি সহিংস পন্থার কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে করা হয়েছে। তার শাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার পর, এই মামলা আন্তর্জাতিক স্তরে ন্যায়বিচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।