ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য: আমাদের সহযোগিতা জনগণের জন্য, সরকারের জন্য নয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 216

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, “আমাদের সহযোগিতা বাংলাদেশের জনগণের জন্য, কোনো নির্দিষ্ট সরকারের জন্য নয়।” ১১ মার্চ ঢাকায় একটি সেমিনারে তিনি জানান, চীন সব সময় বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকে এবং কোনো নির্দিষ্ট সরকারের সঙ্গেই সহযোগিতা সীমাবদ্ধ নয়।

তিনি বলেন, “বিশ্বমঞ্চে অথবা কোনো দেশের অভ্যন্তরে পরিস্থিতি বদলালেও আমাদের নীতি অপরিবর্তিত থাকবে। চীন সর্বদা বাংলাদেশের জনগণ এবং চীনা জনগণের উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে থাকবে।” রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা, ঐক্য এবং গণতন্ত্রের বিকাশে চীন আগ্রহী এবং এর জন্য তারা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বকে সমর্থন করছে।

আরও পড়ুন  শুল্ক নীতিতে এশিয়ার দেশগুলোর চীনের প্রতি ঝোঁক বাড়ার শঙ্কা

আগামী ২৬ থেকে ২৯ মার্চ, ড. ইউনূসের চীন সফর নিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “চীন সব দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানায়, তবে এই সফরের অগ্রাধিকার সম্পর্কে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের কোনো একক রূপ নেই এবং এটি প্রতিটি দেশের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।

সেমিনারে সেন্টার ফর অলটারনেটিভের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ একটি জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন। জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রায় ৬৭ শতাংশ বাংলাদেশি চীন সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন, যা ২০২২ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এছাড়াও, ৭৫ শতাংশ বাংলাদেশি চীনে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে বা তাদের সন্তানদের পাঠাতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “বাংলাদেশিরা চীনা বিনিয়োগকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানায় এবং এই সহযোগিতা বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন, নির্মাণ এবং দারিদ্র্যবিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

তিনি আরও জানান, ১৪টি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে ২১৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, “এটি মূলত বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমস্যা, তবে চীন এর সমাধানে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছিল।”

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য: আমাদের সহযোগিতা জনগণের জন্য, সরকারের জন্য নয়

আপডেট সময় ১১:৩১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, “আমাদের সহযোগিতা বাংলাদেশের জনগণের জন্য, কোনো নির্দিষ্ট সরকারের জন্য নয়।” ১১ মার্চ ঢাকায় একটি সেমিনারে তিনি জানান, চীন সব সময় বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকে এবং কোনো নির্দিষ্ট সরকারের সঙ্গেই সহযোগিতা সীমাবদ্ধ নয়।

তিনি বলেন, “বিশ্বমঞ্চে অথবা কোনো দেশের অভ্যন্তরে পরিস্থিতি বদলালেও আমাদের নীতি অপরিবর্তিত থাকবে। চীন সর্বদা বাংলাদেশের জনগণ এবং চীনা জনগণের উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে থাকবে।” রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা, ঐক্য এবং গণতন্ত্রের বিকাশে চীন আগ্রহী এবং এর জন্য তারা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বকে সমর্থন করছে।

আরও পড়ুন  প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে দিচ্ছে সরকার

আগামী ২৬ থেকে ২৯ মার্চ, ড. ইউনূসের চীন সফর নিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “চীন সব দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানায়, তবে এই সফরের অগ্রাধিকার সম্পর্কে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের কোনো একক রূপ নেই এবং এটি প্রতিটি দেশের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।

সেমিনারে সেন্টার ফর অলটারনেটিভের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ একটি জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন। জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রায় ৬৭ শতাংশ বাংলাদেশি চীন সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন, যা ২০২২ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এছাড়াও, ৭৫ শতাংশ বাংলাদেশি চীনে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে বা তাদের সন্তানদের পাঠাতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “বাংলাদেশিরা চীনা বিনিয়োগকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানায় এবং এই সহযোগিতা বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন, নির্মাণ এবং দারিদ্র্যবিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

তিনি আরও জানান, ১৪টি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে ২১৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, “এটি মূলত বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমস্যা, তবে চীন এর সমাধানে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছিল।”